Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!
Google Play

Google App Google Play

প্রশ্নঃ

আসসালামু-আলাইকুম!

প্রশ্ন-: একজন মুসলিম ব্যক্তি যদি প্রকাশ্যে কুফরি করে থাকে তাকে কি রাষ্ট্রিয়ভাবে না গোপনে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে?

যদি রাষ্ট্রিয়ভাবে না করে গোপনে করে মানুষেরা না জেনে তাকে মুরতাদ/ কাফির বলে যাবে।

আর যদি সে কোনভাবে তওবা না করে তাহলে কি তাকে সরকার হত্যা করবে নাকি জনগন?

উত্তরঃ

ওয়া আলায়কুম আস-সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ

বিসমিল্লাহ ওয়াস-সালাতু ওয়াস-সালামু আলা রসূলিল্লাহ ওয়া আল-আলিহি ওয়া মান ওয়ালাহ ওয়া বা'দ

কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি প্রকাশ্যে কুফরী করে থাকে তাহলেতো মুসলমানরা তা জেনে ফেলবে। সুতরাং সে কাফির বলেই সাব্যস্ত হবে মুসলিমদের সমাজে। এই ব্যক্তি তখন স্বাভাবিকভাবে মুরতাদ্দ হিসেবে গণ্য হবে। এই কারণে সে যদি রিদ্দা থেকে ফিরে আসতে চায় তবে তা তাকে প্রকাশ্যেই ঘোষণা দিয়ে করতে হবে। তার কুফরী যেহেতু প্রকাশ্য তার তওবাও হতে হবে প্রকাশ্যে। সে যদি গোপনে কুফরী করে থাকে তাহলে মুসলিমরা কেউই তার গোপন এই বিষয় জানবে না। সে ক্ষেত্রে সে গোপনে ফিরে আসতে পারবে দ্বীনে গোপনে তওবা করার মাধ্যমে।  প্রকাশ্যে কুফরী ঘোষণার পর তওবা কখনো গোপনে হতে পারে না। সে যদি তার তওবার ঘোষণা প্রকাশ্যে না করে তবে মুসলিমদের কাছে সে মুরতাদ্দ হিসেবেই চিহ্নিত থাকবে। তাই কেউ তাকে মুরতাদ্দ/কাফির বললে তাকে দোষ দেয়া যাবে না।

কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবেই তওবা না করে তবে তাকে সরকার দণ্ড দিয়ে হত্যা করবে। সাধারণ নাগরিকরা আইন হাতে তুলে নেবে না। এতে সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয় এবং সমাজের স্থিতিশীলতার কাঠামো ভেঙ্গে পড়ে। তবে ঐ ব্যক্তির কর্মকাণ্ড যদি এমন হয় যে সে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করার ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন করে এবং মুসলিমদের সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে আর তাকে শাস্তি দিতে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ না করে এবং এমতাবস্থায় কোন মুসলিম যদি তাকে হত্যা করে  তাহলে তাহলে হত্যাকারী ইসলামের দৃষ্টিতে দোষী হবে না।

 
Type the characters you see in the picture below.