Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!
Google Play

Google App Google Play

প্রশ্নঃ

বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহিম

আসসালামুআলাইকুম

১ প্রশ্নঃ-বরতমনে প্রচলিত তাবলিগ জামাত ও বিশ্ব ইজত্তেমা বিদাত ও হারাম( কিছু কিছু লোকের নিকট শুনা ) কুরান ও হাদিসের আলোকে এর ব্যখ্যা কি? বিস্তারিত জানানোর জন্য বিষেশ ভাবে অনুরোধ করিতেছিl

2.amar onek somoi oju korle sondeho hoi o oju sease onek somoi mone hoi amar baeu ber hoi se abar oju korle oi akie somos sa hoi akon ami ki korbo.

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহামানির রাহিম।

১। তাবলীগ জামাত সম্পর্কে বিশ্ববরেণ্য আলেমগণ কি বলেছেন সেটাই মূলত আমরা তুলে ধরতে চাই এবং এই ক্ষেত্রে আমরা আমাদের পক্ষে থেকে কোন মতামত দিতে চাইছি না।

ইলিয়াসি তাবলীগ জামাত সম্পর্কে শীর্ষ স্থানীয় আলেমদের মতামত কি? তারা কি এর পক্ষে না কি বিপক্ষে?

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর।

শেখ ইবন বায (রহ:) –কে জিজ্ঞাসা করা হয়ে ছিল ইলিয়াসি তাবলীগ জামাত সম্পর্কে:

প্রশ্ন: আমরা তাবলীগ জামাত সম্পর্কে শুনছি, তারা দাওয়াতের কাজ করছে। তাহলে আপনি কি আমাকে পরামর্শ দিচ্ছেন যে আমি এই জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারি? আশা করি আমাকে দিক নির্দেশনা দিবেন এবং সৎ পরামর্শ দিবেন। আল্লাহ্‌ আপনাকে মহা পুরষ্কার দান করুন।

উত্তর: যেই ব্যক্তি আল্লাহ্‌র দিকে ডাকবে সেই হচ্ছে মুবাল্লেগ, কিন্তু জামাত তাবলীগ প্রসিদ্ধ যে এটি হিন্দিয়া (ভারতের) জামাত, তাদের মধ্যে বহু কুসংকার রয়েছে এবং তাদের কাছে বেশ কিছু বেদআত রয়েছে এবং শির্‌ক রয়েছে। তবে যদি কেউ যেতে চায়, (যেতে পারবে যারা) চোখে দেখে (জেনে শুনে) কথা বলে এবং এলম রয়েছে। তাদের সাথে যাক আল্লাহ্‌র দ্বীনের দাওয়াত দেওয়ার জন্য, তাদেরকে সঠিক পথ দেখানর জন্য এবং প্রতিবাদ করার জন্য। যাতে করে তারা বাতেল তরীকা ছেড়ে দেয়, আর আহলে সুন্নাহ্‌ ওয়াল জামাতের তরীকা ধরে নেয়।

ইবন বাযকে আরও একটি প্রশ্ন করা হয়েছিল: আমি তাবলীগ জামাতে গিয়েছিলাম ভারত এবং পাকিস্তানে। আমরা সেখানে গিয়ে দেখলাম, যে মুসজিদ রয়েছে তাতে কবর আছে, সেখানে চিল্লা দিতাম। আমরা শুনেছি, যে মসজিদে করব আছে সে মসজিদে নামায পড়া বাতিল, আমরা এখন ফিরে এসেছি তাহলে নামায গুলি কি আবার আদায় করব? এসব স্থানে যাওয়ার হুকুম কি?

উত্তর: আকিদা মাসলা-মাসায়েলের ক্ষেত্রে তাবলীগ জামাতের কোন জ্ঞান নেই। সুতরাং তাদেরকে সংশোধন ছাড়া তাদেরকে সহযোগিতার জন্য যাওয়া যাবে না। কবর মসজিদে, আপনি যে নামায পড়েছেন সে নামায গুলি পুনরায় আদায় করা হচ্ছে আপনার জন্য ফরয। কারন রাসূল (সা:) বলেছেন: আল্লাহ্‌র লানত হয়েছে ইহুদী-খৃষ্টানদের উপর কারন তারা নবীগণের কবর গুলিকে মসজিদে পরিনত করেছে।

শেখ আল্লামা নাছির উদ্দিন আলবানী (রহ:) –কে জিজ্ঞাসা করা হয়ে ছিল ইলিয়াসি তাবলীগ জামাত সম্পর্কে:

প্রশ্ন: আপনার মতামত কি তাবলীগ জামাত সম্পর্কে? যারা তালেবে এলেম (মধ্যম শ্রেণীর আলেম) এরূপ আল্লাহ্‌র দ্বীনের দাওয়াত দেওয়ার জন্য যাওয়া যাবে কি?

উত্তর: তবলীগ জামাত আল্লাহ্‌র কিতাব কুরআনুল কারীম এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সা:) এর সুন্নত এবং সালাফ আল-সলেহিনের তরীকার পথের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সুতরাং তাদের সাথে বেরিয়ে চিল্লায় যাওয়া জায়েয নয়। কারন এটি সালাফ আল-সলেহিনের (সাহাবীদের) পথের পরিপন্থী। তাবলীগ জামাত কুরআন, সুন্নাহে্‌র দাওয়াতের কোন গুরুত্ব দেয় না। কেউ যদি বলে নামায পড়তে হবে কুরআন, সুন্নাহ্‌ অনুসারে তারা বলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এই জামাতটি ইখোয়ান ওয়াল মুসলিমদের মত (মিসরের একটি দল), কিন্তু তারা দাবি করে তারা কুরআন, সুন্নাহ্‌ অনুসারে তাবলীগ করছে, কিন্তু এগুলি তাদের মুখের কথা মাত্র। তাদের কোন সহিহ আকিদা নেই। সুতরাং তাবলীগ জামাতের তাবলীগ হচ্ছে আধুনিক সূফীবাদ। যে রুপ সূফীবাদের মধ্যে ভাল দিক আছে, সে রুপ তাবলীগ জামাতের মধ্যেও ভাল দিক আছে। সমাজে যে কুসংস্কার আছে এর জন্য তাদের সামান্যতম প্রতিবাদ নেই, কারন এরূপ করলে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হবে।

আল্লাহ্‌ আমাদের এরূপ জামাত থেকে হেফাযত করুন।

২। আর আপনার ওজু সংক্রান্ত যে বিষয়টি এখানে উল্লেখ করেছেন তা মূলত শয়তানের অয়াসওয়াসা, তাই আপনার নতুন করে ওজু করার দরকার নেই এবং মনের এই সন্দেহকে কোন ভাবেই পাত্তা দিবেন না কেননা তা পাত্তা দিলে মূলত শয়তানকেই পাত্তা দেয়া হল। আর অজুর শেষে পাঠ করবেন নিম্নোক্ত দু'আ, ইনশা আল্লাহ্‌ সমস্যা থাকবে না।
 

أَشْهَدُ أَنْ لآ إلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ، اَللَّهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوابِيْنَ وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ-

উচ্চারণ : আশহাদু আল লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা-শারীকা লাহূ, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহু। আল্লা-হুম্মাজ্‘আল্নী মিনাত্ তাউয়াবীনা ওয়াজ্‘আল্নী মিনাল মুতাত্বাহ্হিরীন।

অর্থ : ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি একক ও শরীক বিহীন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ছাঃ) তাঁর বান্দা ও রাসূল’ (মুসলিম)। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে তওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন!! (তিরমিযী)।

 
Type the characters you see in the picture below.