Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!
Google Play

Google App Google Play

প্রশ্নঃ

সুদি ব্যাংক এ সাভিংস অ্যাকাউন্ট এ তাকা রাখা যাবে কি? এবং অই তাকা দিয়ে দান খয়রাত করা যাবে কি? পিতা মাতা যদি সুদের তাকা দিয়ে  পরাশনা করাচ্ছে । মানা করলে শুনে না এক্ষেত্রে আমার কি করার আছে। আই শুদের তাকায় পরলে কি আমার গুনাহ হবে

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

সুদি ব্যাংকের সাথে লেনদেন করা সম্পূর্ণ হারাম। তার বদলে আলেমগণ যে কোন ইসলামী ব্যাংকের সাথে লেনদেন করার পরামর্শ দিয়েছেন। ইসলামী ব্যাংক বাদ দিয়ে সুদি ব্যাংকের সাথে লেনদেন করলে অন্যায় ও পাপের কাজে সহযোগিত করা হবে। পাপের কাজে সহযোগিতা করতে আল্লাহ তাআলা নিষেধ করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ তোমরা নেকী ও তাকওয়ার কাজে পরস্পর সহযোগিতা কর, পাপ ও সীমা লংঘনের কাজে পরস্পর সহযোগিতা করোনা। ( সুরা মায়িদা আয়াত নং ২)

ইসলামী ব্যাংকের সাথে লেনদেন করা বা ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যদি অসম্ভব হয়, তাহলে একান্ত বাধ্য হয়ে এবং অর্থের নিরাপত্তার স্বার্থে সুদি ব্যাংকে টাকা রাখা যেতে পারে। তবে স্যাভিং একাউন্টে না রেখে চলতি হিসাবে রাখতে হবে। চলতি হিসাবে টাকা রাখলে সম্ভবতঃ ব্যাংক তা সুদি কারবারে লাগাতে পারেনা। (আল্লাহই ভাল জানেন)। চলতি হিসাবে রাখা যদি অসম্ভব হয় এবং যদি জানা যায় চলতি হিসাবে রাখলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সুদি কারবারেই টাকা খাটাবে এবং তা দিয়ে তারা লাভ করবে, তাহলে স্যাভিং একাউন্টে টাকা রাখা যাবে। এ ক্ষেত্রে অর্জিত লাভ মুসলমানদের প্রয়োজনে ব্যয় করতে হবে বলে আলেমগণ মত দিয়েছেন। ব্যাংকের জন্য ছেড়ে দিবেনা এবং নিজেও তা খাবেনা।

 পিতার উপর আবশ্যক হচ্ছে সে হালাল উপার্জন দিয়ে পরিবারের ব্যয়ভার বহন করবে। কোন ক্ষেত্রেই হারামের আশ্রয় নেয়া যাবেনা। সে যদি হারাম উপার্জন দিয়ে যদি স্ত্রী-সন্তানদের ভরণপোষণ করে, তাহলে স্ত্রী সন্তানের কোন গুনাহ হবেনা। সন্তানেরা যদি বুঝবান হয় এবং জানতে পারে যে, পিতার সম্পূর্ণ ইনকামই হারাম এবং হারাম উপার্জন করে তাদের ভরণ পোষণ করছে, তাহলে পিতাকে নসীহত করতে হবে এবং আল্লাহর ভয় দেখাতে হবে। তাতে কাজ না হলে পিতার হারাম উপার্জন থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখতে হবে। কেননা হারাম খেয়ে দুআ করলে দুআ কবুল হয়না। কিন্তু পিতার সম্পদে যদি হারাম ও হালালের মিশ্রন ঘটে এবং অদিকাংশ সম্পদ যদি হালাল উপার্জন থেকে হয়, তাহলে তা থেকে খরচাদি নেয়াতে কোন অসুবিধা নেই। 

আর যদি পিতার হারাম উপার্জন দ্বারা জীবন যাপন করা ব্যতীত অন্য কোন উপায় না থাকে, তাহলে পিতার বা পরিবার প্রধানের হারাম ইনকাম থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী খরচাদি গ্রহণ করা জায়েয। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ আল্লাহ তাআলা সাধ্যের অতিরিক্ত কোন কাজ কারও উপর চাপিয়ে দেন না। (সূরা বাকারাঃ আয়াত নং- ২৮৬) আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ তোমরা সাধ্য অনুযায়ী আল্লাহকে ভয় কর। (সূরা তাগাবুনঃ আয়াত নং ১৬) এ ক্ষেত্রে সন্তানেরা একান্ত বাধ্য হয়ে পিতার হারাম ইনকাম থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি নিচ্ছে বলে সন্তানেরা গুনাহগার হবেনা। পিতা গুনাহগার হবে। আল্লাহই ভাল জানেন।    

 
Type the characters you see in the picture below.