Google Play

Google App Google Play

উত্তরদাতা অনুসারে সার্চ করুন কি-ওয়ার্ড সার্চ
হুবুহু সার্চ

প্রশ্ন করেছেনঃ আব্দুল্লাহ মামুন-উর-রশিদ, তারিখঃ 2014-05-30  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[709]

1) ফরজ নামাজের নিয়ত কখন করব, ইকামতের আগে না ইকামতের পরে?

2) আমি বেশ কয়েকটি মসজিদে দেখেছি যে, ইমাম সাহেবগণ ফরজ নামাজ পড়ানোর সময় খুবই দ্রুত আলহামদু সুরা পড়ে থাকেন (জোর আওয়াজের ফরজ নামাজের ক্ষেত্রে শেষ দু’রাকাতে এবং বিনা আওয়াজের ফরজ নামাজের ক্ষেত্রে চার রাকাতেই)। উনারা এতই দ্রুত আলহামদু সুরা পরে থাকেন যে, আমি ইমামের পিছনে নামাজের সময় আলহামদু সুরা পড়তে যেয়ে কখনই সুরাটি শেষ করতে পারিনা, তার আগেই রুকুতে যাওয়ার জন্য ইমাম সাহেব আল্লাহু আকবর বলে থাকেন। বাধ্য হয়ে আমি এখন আর ফরজ নামাজে আলহামদু সুরা পড়িনা। অথচ, বর্তমানে অনেকেই বলে থাকেন সহিহভাবে নামাজ পড়ার জন্য ফরজ নামাজেও আলহামদু সুরা পড়া জুরুরী। এই ক্ষেত্রে আমি কি করতে পারি? এভাবে প্রতি রাকাতে অর্ধেক বা দুই-তৃতীয়াংশ আলহামদু সুরা পড়ার পর জামাতের সাথে রুকুতে চলে যাওয়া কি ঠিক হবে না ইমামের পিছনে নামাজ পড়ার ওসিলায় না পড়াই উত্তম হবে?

3) আমার প্রশ্ন হল, একজন ইমাম যখন ইশার ফরজ নামাযের প্রথম দুরাকাত সুন্দর ভাবে সময় নিয়ে তেলাওয়াত করে আলহামদু সুরাটি পড়ে থাকেন, তখন তিনিই শেষ দুরাকাতে এত দ্রুত আলহামদু সুরা পড়েন কেন? এতে কি সুরাটি সঠিকভাবে উচ্চারণ সহকারে পড়া সম্ভব, নাকি নামাজ শেষ করানোর জন্য যেনতেন ভাবে পড়ে যাওয়াটিই মূল উদ্দেশ্য? প্রথম দুরাকাতে যেভাবে সুন্দর করে তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলহামদু সুরা পড়া হয়, ঠিক তেমনিভাবেই শেষ দুরাকাতেও কি সুন্দরভাবে সময় নিয়ে তেলাওয়াত করা উচিত নয় যদিও তা মনে মনে পড়া হয়?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

১) আপনি তাকবীরে তাহরিমা বলার আগে নিয়ত করবেন আর নিয়ত অন্তরের বিষয় এটা পড়ার কোন বিষয় নয়, আপনি বাসা থেকে যখন বের হন সালাতে উদ্দেশ্যে এবং তখন আপনার মনের ভিতরেই প্ল্যান থাকে আপনি মসজিদে গিয়ে কি করবেন বা কি সালাত আদায় করবেন আর এটাই মূলত নিয়ত। এখানে ইকামতের আগে বা পরে বিষয় নয় বিষয় হচ্ছে আল্লাহু আকবর বলে যখন তাকবীরে তাহরিমা বলবেন তাঁর আগে নিয়ত করবেন।

২,৩) আপনি ইমামকে অনুসরন করবেন, তিনি যদি দ্রুত পড়ে যান এবং আপনি এই কারনে পুরোপুরি না পড়তে পারেন তাহলে ইমাম সাহেব এটার জন্য দায়ী থাকবেন আপনি নন, মুক্তাদির উপর হুকুম ইমামকে ফলো করা তাই আপনি সেটাই করবেন। আপনি সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করবেন এবং স্বাভাবিক ভাবে যতখানি পড়তে পারেন পড়বেন এবং ইমামকে ফলো করবেন। একেবারে না পড়া কোন ভাবেই শুদ্ধ নয়।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-31

প্রশ্ন করেছেনঃ Md.Abdul Baten Siddiki, তারিখঃ 2014-05-29  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[705]

--------------------------------------------

আসসালামু আলাইকুম।  ভাই আমার নামায সর্ম্পকে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বাধিত করবেন। আমি  যেদিন থেকে মতিউর রহমান মাদানীর লেকচারে শুনেছিলাম যে, নারী-পুরুষের নামাযের পার্থক্য নাই। এবং সহীহ নামায পদ্বতি নাসির আলবানীর নামায শিক্ষা নারী-পুরুষের নামাযের পার্থক্য নাই। এখন আরেক ভাই দেখালে এটা নারীদের নামায আলাদা এবং হাদিসের যথাযথ রেফারেন্স দিল। আমাকে এবং সকলের জন্য এই বিষয়টা পরিস্কার করে যথাযথ উত্তর দিলে আমি   উপকৃত হবো। ধন্যবাদ।

ওঁই ভাইয়ের ব্যাখ্যা
প্রসঙ্গ পুরুষ ও নারীর নামায পদ্ধতির ভিন্নতাঃ শায়েখ আলবানীর অসার বক্তব্য

নারী পুরুষের শারীরিক গঠন, সক্ষমতা, নিরাপত্তা ইত্যাদী নানা বিষয়ে যেমন পার্থক্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্য রয়েছে ইবাদতসহ শরীয়তের অনেক বিষয়ে। যেমন-
১-পুরুষ ও মহিলা উভয়ের উপরই হজ্ব ফরয। কিন্তু মহিলাদের জন্য পথ খরচ ছাড়াও হজ্বের সফরে স্বামী বা মাহরাম পুরুষের উপস্থিতি শর্ত।
২-ইহরাম অবস্থায় পুরুষের জন্য মাথা ঢাকা নিষেধ। অথচ মহিলাদের জন্য ইহরাম অবস্থায় মাথা ঢেকে রাখা ফরয।
৩-ইহরাম খোলার সময় পুরুষ মাথা মুন্ডায়। কিন্তু মহিলাদের মাথা মুন্ডানো নিষেধ।
৪-হজ্ব পালনকালে পুরুষ উচ্চ আওয়াজে তালবীয়া পাঠ করে, পক্ষান্তরে মহিলাদের জন্য নিম্ন আওয়াজে পড়া জরুরী।
৫-পুরুষের উপর জুমআ পড়া ফরয, মহিলাদের উপর নয়।
৬-নামাযে সতর্ক করার মত কোন ঘটনা ঘটলে সতর্ক করার জন্য পুরুষের তাসবীহ পড়ার হুকুম করা হয়েছে। কিন্তু মহিলাদের তাসফীক করা তথা হাতে শব্দ করার বিধান।
৭-ইমাম ও খতীব শুধু পুরুষই হতে পারে, কোন নারী হতে পারেনা।
৮-আজান শুধু পুরুষই দিবে, কোন নারীকে মুয়াজ্জিন বানানো জায়েজ নয়।
৯-পুরুষের জন্য মসজিদে গিয়ে জামাআতে নামায পড়া সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। আর মহিলাদের ঘরে নামায পড়াই উত্তম বলা হয়েছে।
১০-সতর। পুরুষের সতর হল নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত। আর পরপুরুষের সামনে নারীদের সতর হল প্রায় পুরো শারীরই ঢেকে রাখা ফরয।
নারী-পুরুষের মাঝে এরকম পার্থক্যসম্বলিত ইবাদত সমূহের অন্যতম হল নামায। তাকবীরে তাহরীমার জন্য হাত উঠানো, হাত বাঁধা, রুকু, সেজদা, প্রথম ও শেষ বৈঠক ইত্যাদী ক্ষেত্রগুলোতে পুরুষের সাথে নারীর পার্থক্য রয়েছে। তাদের সতরের পরিমাণ যেহেতো বেশি তাই যেভাবে তাদের সতর বেশী রক্ষা হয় সেদিকটিও বিবেচনা করা হয়েছে ক্ষেত্রগুলিতে। মুসলিম উম্মাহর প্রায় দেড় হাজার বছরের অবিচ্ছন্ন আমলের ধারা তাই প্রমাণ করে। বিষয়টি প্রমাণিত রাসূলে কারীম সাঃ এর হাদিস, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগণের ফতোয়া ও আছারের মাধ্যমে।
প্রথমে আমরা সহীহ হাদিস, তারপর পর্যায়ক্রমে সাহাবায়ে কিরাম ও তাবেয়ীদের ফতোয়া ও আছার উল্লেখ করছি।
হাদিস

3016 – أخبرناه أبو بكر محمد بن محمد أنبأ أبو الحسين الفسوي ثنا أبو علي اللؤلؤي ثنا أبو داود ثنا سليمان بن داود أنبأ بن وهب أنبأ حيوة بن شريح عن سالم بن غيلان عن يزيد بن أبي حبيب : أن رسول الله صلى الله عليه و سلم مر على امرأتين تصليان فقال إذا سجدتما فضما بعض اللحم إلى الأرض فإن المرأة ليست في ذلك كالرجل (سنن الكبرى للبيهقى، كتاب الحيض، باب ما يستحب للمرأة من ترك التجافي في الركوع والسجود، رقم الحديث-3016)
তাবেয়ী ইয়াযীদ বিন আবী হাবীব রহ. বলেন-একবার রাসূল সা. দুই মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তাদেরকে (সংশোধনের উদ্দেশ্য) বললেন-“যখন সেজদা করবে তখন শরীর যমীনের সাথে মিলিয়ে দিবে। কেননা মহিলারা এ ক্ষেত্রে পুরুষদের মত নয়। (সুনানুল বায়হাকী, হাদিস নং-৩০১৬, কিতাবুল মারাসিল লি ইমাম আবু দাউদ-৫৫, হাদিস নং-৮০)
প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস আলেম নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ “আওনুল বারী” (১/৫২০) তে লিখেছেন-“উল্লেখিত হাদিসটি সকল ইমামদের উসুল অনুযায়ী দলীল হিসেবে পেশ করায় যোগ্য”।
মুহাদ্দিস মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আমীর ইয়ামানী “সুবুলুস সালাম” শরহু বুলুগিল মারাম” গ্রন্থে (১/৩৫১-৩৫২) এই হাদিসকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করে পুরুষ ও মহিলার সেজদার পার্থক্য করেছেন।

وَالآخَرُ حَدِيثُ أَبِى مُطِيعٍ : الْحَكَمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَلْخِىِّ عَنْ عُمَرَ بْنِ ذَرٍّ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- :« إِذَا جَلَسْتِ الْمَرْأَةُ فِى الصَّلاَةِ وَضَعَتْ فَخِذَهَا عَلَى فَخِذِهَا الأُخْرَى ، وَإِذَا سَجَدْتْ أَلْصَقَتْ بَطْنَهَا فِى فَخِذَيْهَا كَأَسْتَرِ مَا يَكُونُ لَهَا ، وَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَنْظُرُ إِلَيْهَا وَيَقُولُ : يَا مَلاَئِكَتِى أُشْهِدُكُمْ أَنِّى قَدْ غَفَرْتُ لَهَا (السنن الكبرى، كتاب الصلاة، باب مَا يُسْتَحَبُّ لِلْمَرْأَةِ مِنْ تَرْكِ التَّجَافِى فِى الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ، رقم الحديث-3324)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছন-“মহিলা যখন নামাযের মধ্যে বসবে তখন যেন (ডান) উরু অপর উরুর উপর রাখে। আর যখন সেজদা করবে তখন যেন পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে। যা তার সতরের জন্য অধিক উপযোগী। আল্লাহ তায়ালা তাকে দেখে বলেন-ওহে আমার ফেরেস্তারা! তোমরা সাক্ষী থাক। আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম। (সুনানে বায়হাকী-২/২২৩, হাদিস নং-৩৩২৪)
এই হাদিসটি হাসান।

حدثنا محمد بن عبد الله الحضرمي قال حدثتني ميمونة بنت عبد الجبار بن وائل بن حجر عن أبيها عبد الجبار عن علقمة عمها عن وائل بن حجر قال : جئت النبي صلى الله عليه و سلم ………….فقال لي رسول الله صلى الله عليه و سلم : يا وائل بن حجر إذا صليت فاجعل يديك حذاء أذنيك والمرأة تجعل يديها حذاء ثدييها (المعجم الكبير، باب الواو، وائل بن حجر الحضرمي القيل، رقم الحديث-28)
হযরত ওয়াইল বিন হুজর রা. বলেন। আমি নবীজী সা. এর দরবারে হাজির হলাম। তখন তিনি আমাকে (অনেক কথার সাথে একথাও) বলেছিলেন যে, হে ওয়াইল বিন হুজর! যখন তুমি নামায শুরু করবে তখন কান বরাবর হাত উঠাবে। আর মহিলা হাত উঠাবে বুক বরাবর। (আল মুজামুল কাবীর, হাদিস নং-২৮)
এই হাদিসটিও হাসান।
উল্লেখিত হাদিসগুলি থেকে একথা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, কিছু কিছু হুকুমের ক্ষেত্রে মহিলার নামায আদায়ের পদ্ধতি পুরুষের নামায আদায়ের পদ্ধতি থেকে ভিন্ন। বিশেষত ২ নং হাদিসটি দ্বারা একথাও বুঝা গেল যে, মহিলার নামায আদায়ের শরীয়ত নির্ধারিত ভিন্ন এই পদ্ধতির মধ্যে ওই দিকটিই বিবেচনায় রাখা হয়েছে যা তার সতরও পর্দার পক্ষে সর্বাধিক উপপোযী।
উল্লেখ্য যে, এই সব হাদিসের সমর্থনে মহিলাদের নামায আদায়ের পদ্ধতির পার্থক্য ও ভিন্নতাকে নির্দেশ করে এমন আরো কিছু হাদিস আছে। পক্ষান্তরে এগুলির সাথে বিরোধপূর্ণ একটি হাদীসও কোথাও পাওয়া যাবেনা। যাতে বলা হয়েছে যে, পুরুষ ও মহিলার নামাযের পদ্ধতিতে কোন পার্থক্য নেই। বরং উভয়ের নামাযই এক ও অভিন্ন। একথার পক্ষে একটি হাদীসও নেই।
সাহাবায়ে কিরামের ফতোয়া

5072 – عبد الرزاق عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن الحارث عن علي قال إذا سجدت المرأة فلتحتفز ولتلصق فخذيها ببطنها (مصنف عبد الرزاق، كتاب الصلاة، باب تكبير المرأة بيديها وقيام المرأة و ركوعها وسجودها، رقم الحيث-5072)
হযরত আলী রা. বলেছেন-মহিলা যখন সেজদা করে তখন সে যেন খুব জড়সড় হয়ে সেজদা করে এবং উভয় উরু পেটের সাথে মিলিয়ে রাখে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৩/১৩৮, হাদিস নং-৫০৭২, মুসান্নাফে ইবনে শাইবা-২/৩০৮, হাদিস নং-২৭৯৩, সুনানে কুবরা বায়হাকী-২/২২২)

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الأَشَجِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ صَلاَةِ الْمَرْأَةِ ؟ فَقَالَ : تَجْتَمِعُ وَتَحْتَفِزُ. (مصنف ابن ابى شيبة، كتاب الصلاة، في المرأة كَيْفَ تَجْلِسُ فِي الصَّلاَةِ، رقم الحديث-2794)
হযরত ইবনে আব্বাস রা. কে জিজ্ঞেস করা হল-মহিলারা কিভাবে নামায আদায় করবে? তিনি বললেন-“খুব জড়সড় হয়ে অঙ্গের সাথে অঙ্গ মিলিয়ে নামায আদায় করবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০২, হাদিস নং-২৭৯৪)
উপরে মহিলাদের নামায সম্পর্কে দু’জন সাহাবীর যে মত বর্ণিত হল, আমাদের জানা মতে কোন হাদীসগন্থের কোথাও একজন সাহাবী থেকেও এর বিপরীত কিছু বিদ্যমান নেই।
রাসূল সা. থেকে সাহাবায়ে কিরাম যে, দ্বীন শিখেছেন তাদের কাছ থেকে তা শিখেছেন তাবেয়ীগণ। তাঁদের ফাতওয়া থেকেও এ কথাই প্রতীয়মান হয় যে,”মহিলাদের নামায পুরুষের নামায থেকে ভিন্ন। নিম্নে তাঁদের মধ্য থেকে প্রসিদ্ধ কয়েকজনের ফাতওয়া উল্লেখ করা হয়।
তাবেয়ীদের ফাতওয়া

2486- حدثنا هشيم ، قال : أخبرنا شيخ لنا ، قال : سمعت عطاء ؛ سئل عن المرأة كيف ترفع يديها في الصلاة ؟ قال : حذو ثدييها(مصنف ابن ابى شيبه، كتاب الصلاة، باب من كان يتم التكبير ولا ينقصه في كل رفع وخفض،)
হযরত আতা বিন আবী রাবাহ কে জিজ্ঞেস করা হল-“নামাযে মহিলা কতটুকু হাত উঠাবে?” তিনি বললেন-“বুক বরাবর”। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা,-১/২৭০, হাদিস নং-২৪৮৬)

2489- حدثنا محمد بن بكر ، عن ابن جريج ، قال : قلت لعطاء : تشير المرأة بيديها بالتكبير كالرجل ؟ قال : لا ترفع بذلك يديها كالرجل ، وأشار فخفض يديه جدا ، وجمعهما إليه جدا ، وقال : إن للمرأة هيئة ليست للرجل ، وإن تركت ذلك فلا حرج.
হযরত ইবনে জুরাইজ রহ. বলেন-“আমি আতা বিন আবী রাবাহকে জিজ্ঞেস করলাম-“মহিলা তাকবীরের সময় পুরুষের সমান হাত তুলবে?” তিনি বললেন-“মহিলা পুরুষের মত হাত তুলবেনা। এরপর তিনি তার উভয় হাত (পুরুষ অপেক্ষা) অনেক নিচুতে রেখে শরীরের সাথ খুব মিলিয়ে রাখলেন এবং বললেন-মহিলাদের পদ্ধতি পুরুষ থেকে ভিন্ন। তবে এমন না করলেও অসুবিধা নেই। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/২৭০, হাদিস নং-২৪৮৯, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক,হাদিস নং-৫০৬৬,৬২৫১)

2796- حدثنا جرير ، عن ليث ، عن مجاهد ؛ أنه كان يكره أن يضع الرجل بطنه على فخذيه إذا سجد كما تصنع المرأة.
হযরত মুজাহিদ বিন জাবর রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি পুরুষের জন্য মহিলার মত উরুর সাথে পেট লাগিয়ে সেজদা করাকে অপছন্দ করতেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০২, হাদিস নং-২৮৯৬)

2487- حدثنا رواد بن جراح ، عن الأوزاعي ، عن الزهري ، قال : ترفع يديها حذو منكبيها.
হযরত যুহরী রহ. বলেন-“মহিলা কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠাবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/২৭০, হাদীস নং-২৪৮৭)

5068 – عبد الرزاق عن معمر عن الحسن وقتادة قالا إذا سجدت المرأة فإنها تنضم ما استطاعت ولا تتجافى لكي لا ترفع عجيزتها
হযরত হাসান বসরী ও কাতাদা রহ. বলেন-“মহিলা যখন সেজদা করবে তখন সে যথাসম্ভব জড়সড় হয়ে থাকবে। অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ফাঁকা রেখে সেজদা দিবেনা যাতে কোমড় উঁচু হয়ে না থাকে”। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৩/১৩৭, হাদিস নং-৫০৬৮, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০৩)

2795- حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِيرَةَ ، عَنْ إبْرَاهِيمَ ، قَالَ : إذَا سَجَدَتِ الْمَرْأَةُ فَلْتَضُمَّ فَخِذَيْهَا ، وَلْتَضَعْ بَطْنَهَا عَلَيْهِمَا.(مصنف ابن ابى شيبة، كتاب الصلاة، في المرأة كَيْفَ تَجْلِسُ فِي الصَّلاَةِ، رقم الحديث-2795)
হযরত ইবরাহীম নাখয়ী রহ. বলেন-মহিলা যখন সেজদা করবে তখন যেন সে উভয় উরু মিলিয়ে রাখে এবং পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০২, হাদিস নং-২৭৯৫)

5071 – عبد الرزاق عن معمر والثوري عن منصور عن إبراهيم قال كانت تؤمر المرأة أن تضع ذراعها وبطنها على فخذيها إذا سجدت ولا تتجافى كما يتجافى الرجل لكي لا ترفع عجيزتها
হযরত ইবরাহীম নাখয়ী রহ. আরো বলেন-“মহিলাদের আদেশ করা হত তারা যেন সেজদা অবস্থায় হাত ও পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে। পুরুষের মত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফাঁকা না রাখে। যাতে কোমড় উঁচু হয়ে না থাকে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৩/১৩৭, হাদিস নং-৫০৭১)

2799- حَدَّثَنَا إسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ زُرْعَةَ بْنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَن خَالِدِ بْنِ اللَّجْلاَجِ ، قَالَ : كُنَّ النِّسَاءُ يُؤْمَرْنَ أَنْ يَتَرَبَّعْنَ إذَا جَلَسْنَ فِي الصَّلاَةِ ، وَلاَ يَجْلِسْنَ جُلُوسَ الرِّجَالِ عَلَى أَوْرَاكِهِنَّ ، يُتَّقي ذَلِكَ عَلَى الْمَرْأَةِ ، مَخَافَةَ أَنْ يَكُونَ مِنْهَا الشَّيءُ.
হযরত খালেদ বিন লাজ্জাজ রহ. বলেন-“মহিলাদেরকে আদেশ করা হত যেন নামাযে দুই পা ডান দিক দিয়ে বের করে নিতম্বের উপর বসে। পুরুষদের মত না বসে। আবরণযোগ্য কোন কিছু প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার আশংকায় মহিলাদেরকে এমনি করতে হয়। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০৩, হাদিস নং-২৭৯৯)
উল্লেখিত বর্ণনাগুলি ছাড়াও আয়িম্মায়ে তাবেয়ীনের আরো কিছু বর্ণনা এমন আছে যা মহিলা-পুরুষের নামাযের পার্থক্য নির্দেশ করে। পক্ষান্তরে একজন তাবেয়ী থেকেও এর বিপরীত বক্তব্য প্রমাণিত নয়।
চার ইমামের ফিক্বহের আলোকেঃ
ফিক্বহে ইসলামীর চারটি সংকলন মুসলিম উম্মাহর মাঝে প্রচলিত। যথা-
১-ফিক্বহে হানাফী
২-ফিক্বহে শাফেয়ী
৩-ফিক্বহে মালেকী
৪-ফিক্বহে হাম্বলী
এবার দেখুন এই চার ফিক্বহের ইমামদের মতামত।
১-ফ্বিকহে হানাফী
احب الينا ان تجمع رجليها من جانب ولا تنتصب انتصاب الرجل، (كتاب الآثار-1/609)
ইমাম আবু হানীফা রহঃ এর অন্যতম সাগরীদ ইমাম মুহাম্মদ রহঃ বলেন-“ আমাদের নিকট পছন্দনীয় হল, মহিলারা নামাযে উভয় পা একপাশে মিলিয়ে রাখবে। পুরুষের মত এক পা দাঁড় করিয়ে রাখবেনা। {কিতাবুল আসার, ইমাম মুহাম্মদ রহঃ-১/৬০৯}
روى امامنا الأعظم عن نافع عن ابن عمر رضى الله عنهما أنه سئل كيف كان النساء يصلين على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قال كن يتربعن أمرن أن يحتفزن،
أخرجه أبو محمد الحارثى والأشنانى وابن خسرو من طريقه عن سفيان الثورى عنه، راجع جامع الماسانيد-1/400، وهذا أقوى واحسن ما روى فى هذا الباب، ولذا احتج به امامنا وجعله مذهبه وأخذ به،
আমাদের ইমামে আজম আবু হানীফা রঃ নাফে রহঃ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন-“হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাঃ কে জিজ্ঞেস করা হল-“রাসূল সাঃ এর যুগে মহিলারা কিভাবে নামায পড়তেন?” তিনি বললেন-“আগে তারা চারজানু হয়ে বসতেন, পরে তাদেরকে জড়সড় হয়ে বসতে বলা হয়েছে”। {জামেউল মাসানিদ-১/৪০০}
উক্ত হাদিসটি এ বিষয়ে বর্ণিত সবকিছুর চেয়ে শক্তিশালী। এ কারণেই আমাদের ইমাম এর দ্বারা দলীল পেশ করেছেন। এ অনুযায়ী আমল করেছেন। এবং এটিকে নিজের মাযহাব বানিয়েছেন। {কিতাবুল আসার এর টিকা-১/৬০৭}
মহিলাদের ক্ষেত্রে পার্থক্যের বর্ণনা হানাফী ফিক্বহের কিতাবে দেখুন-
১-বাদায়িউস সানায়ে-১/৪৬৬
২-হেদায়া-১/১০০-১১০
৩-আল মাবসূত লিস সারাখসী-১/৪৬৬
৪-ফাতওয়ায়ে শামী-১/৫০৪
৫-ফাতওয়ায়ে আলমগীরী-১/৭৩-৭৫
২-ফিক্বহে শাফেয়ী
( قال الشافعي ) وقد أدب الله تعالى النساء بالاستتار وأدبهن بذلك رسوله صلى الله عليه وسلم وأحب للمرأة في السجود أن تضم بعضها إلى بعض وتلصق بطنها بفخذيها وتسجد كأستر ما يكون لها وهكذا أحب لها في الركوع والجلوس وجميع الصلاة أن تكون فيها كأستر ما يكون لها (كتاب الأم، باب الذكر في السجود)
ইমাম শাফেয়ী রহঃ বলেন-“আল্লাহ পাক মহিলাদেরকে পুরোপুরি আবৃত থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। তার রাসূল সাঃ ও অনুরূপ শিক্ষা দিয়েছেন। তাই আমার নিকট পছন্দীয় হল-সেজদা অবস্থায় মহিলারা এক অঙ্গের সাথে অপর অঙ্গ মিলিয়ে রাখবে। পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখবে। আর সেজদা এমনভাবে করবে যাতে সতরের চূড়ান্ত হেফাযত হয়। অনুরূপ রুকু, বৈঠক ও গোটা নামাযে এমনভাবে থাকবে যাতে সতরের পুরোপুরি হেফাযত হয়। {কিতাবুল উম্ম-১/১৩৮)
৩-ফিক্বহে মালেকী
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফক্বীহ ইমাম আবুল আব্বাস আল কারাফী রঃ ইমাম মালিক রহঃ এর মত উল্লেখ করেন-
وأما مساواة النساء للرجال ففي النوادر عن مالك تضع فخذها اليمنى على اليسرى وتنضم قدر طاقتها ولا تفرج في ركوع ولا سجود ولا جلوس بخلاف الرجل
নামাযে মহিলা পুরুষের মত কিনা? এ বিষয়ে ইমাম মালিক রহঃ থেকে বর্ণিত। মহিলা ডান উরু বাম উরুর উপর রাখবে এবং যথাসম্ভব জড়সড় হয়ে বসবে। রুকু সেজদা ও বৈঠকে কোন সময়ই ফাঁক ফাঁক হয়ে বসবেনা। পক্ষান্তরে পুরুষের পদ্ধতি হল ভিন্ন। {আয যাখীরা-২/১৯৩}
৪-ফিক্বহে হাম্বলী
ইমাম আহমদ রহঃ এর ফাতওয়া উল্লেখ আছে ইমাম ইবনে কুদামা রহঃ এর আল মুগীনী কিতাবে।
فأما المرأة فذكر القاضي فيها روايتين عن أحمد إحداهما ترفع لما روى الخلال بإسناده عن أم الدرداء وحفصة بنت سيرين أنهما كانتا ترفعان أيديهما وهو قول طاوس ولأن من شرع في حقه التكبير شرع في حقه الرفع كالرجل فعلى هذا ترفع قليلا قال أحمد رفع دون الرفع والثانية لا يشرع لأنه في معنى التجافي ولا يشرع ذلك لها بل تجع نفسها في الركوع والسجود وسائر صلاتها
তাকবীরের সময় মহিলারা হাত উঠাবে কি উঠাবে না? এ বিষয়ে কাজী [আবু ইয়াজ] ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ থেকে দু’টি মত উল্লেখ করেছেন। প্রথম মত হল হাত উঠাবে। কেননা খাল্লাল হযরত উম্মে দারদা এবং হযরত হাফসা বিন সীরীন থেকে সনদসহ বর্ণনা করেন যে, তারা হাত উঠাতেন। ইমাম তাউসের বক্তব্যও তাই। উপরন্তু যার ব্যাপারে তাকবীর বলার নির্দেশ রয়েছে তার ব্যাপারে হাত উঠানোরও নির্দেশ রয়েছে। যেমন পুরুষ করে থাকে। এ হিসেবে মহিলারাও হাত উঠাবে। তবে সামান্য। আহমাদ রহঃ বলেন-“তুলনামূলক কম উঠাবে”।
দ্বিতীয় মত হল-“মহিলাদের জন্য হাত উঠানোরই হুকুম নাই। কেননা হাত উঠালে কোন অঙ্গকে ফাঁক করতেই হয়, অথচ মহিলাদের জন্য এর বিধান দেওয়া হয়নি। বরং তাদের জন্য নিয়ম হল রুকু সেজদাসহ পুরো নামাযে নিজেদেরকে গুটিয়ে রাখবে। {আল মুগনী-২/১৩৯}
আলোচনার এই পর্যায়ে হাদীস, আসারে সাহাবা, তাবেয়ীন ও চার মাযহাবের ইমামদের ঐক্যমত্যের প্রমাণ পেশ করার পর আমরা দেখব আমাদের যে গায়রে মুকাল্লিদ ভাইয়েরা মহিলাদের নামাযের ভিন্ন বিষয়টিকে উপেক্ষা করেন এবং পুরুষ ও মহিলার নামাযের অভিন্ন পদ্ধতির পক্ষে কথা বলেন, তাদের আলেমগণ এ বিষয়ে কি বলেন? তারা কি ফাতওয়া দিয়েছেন?
গায়রে মুকাল্লিদ আলেমগণের ফাতওয়া
মহিলাদের নামাযের পদ্ধতিতে ইতোপূর্বে যা কিছু উল্লেখ করা হল তথা হাদিস, আসারে সাহাবা, তাবেয়ীনদের ইজমা, এবং চার ইমামের ঐক্যমত্বের আলোকে যুগ যুগ ধরে অবিচ্ছন্ন সূত্র পরম্পরায় যেই পার্থক্যের আমল চলে আসছে, সেটাকে গায়রে মুকাল্লিদদের নেতৃস্থানীয় আলেমগণও স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং সেই আলোকে ফাতওয়া দিয়েছেন।
# মাওলানা মুহাম্মদ দাউদ গযনবী রঃ এর পিতা আল্লামা আব্দুল জাব্বার গযনবী রহঃ কে যখন জিজ্ঞেস করা হল-“মহিলাদের নামাযে জড়সড় হয়ে থাকা কি উচিত?” জবাবে তিনি একটি হাদিস উল্লেখ করার পর লেখেন-“এর উপরই আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের চার মাযহাব ও অন্যান্যের মাঝে আমল চলে আসছে”।
এরপর তিনি চার মাযহাবের কিতাবের উদ্ধৃতি প্রদান করার পর লিখেন-“মোটকথা মহিলাদের জড়সড় হয়ে নামায পড়ার বিষয়টি হাদীস ও চার মাযহাবের ইমামগণ ও অন্যান্যের সর্বসম্মত আমলের আলোকে প্রমাণিত। এর অস্বিকারকারী হাদীসের কিতাবসমূহ ও উম্মতে মুসলিমার সর্বসম্মত আমল সম্পর্কে বেখবর ও অজ্ঞ”। (ফাতওয়ায়ে গযনবীয়্যা-২৭-২৮, ফাতওয়ায়ে ওলামায়ে আহলে হাদিস—৩/১৪৮-১৪৯, মাযমুয়ায়ে রাসায়েল-মাওলানা মুহাম্মদ আমীন সফদর-১-৩১০-৩১১)
মাওলানা আলী মুহাম্মদ সাঈদ সাহেব “ফাতওয়ায়ে ওলামায়ে আহলে হাদিস” এ এই পার্থক্যের কথা স্বীকার করেছেন। (মাজমুয়ায়ে রাসায়েল-১/৩০৫)
একটি যুক্তি ও তার খন্ডন
কথিত আহলে হাদীস নামধারীরা রাসূল সাঃ এর একটি হাদীস দিয়ে সব সময় দলীল দিয়ে থাকে। যে হাদীসে রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন যে, তোমরা আমাকে যেভাবে নামায পড়তে দেখ সেভাবে নামায পড়।
যেহেতু এ হাদীসে পুরুষ নারীর কোন পার্থক্য করা হয়নি। তাই নারী পুরুষের নামাযের অবস্থা একই।
অথচ এ হাদীসটির দিকে আমরা তাকালেই তাদের এ দলীলের অসারত স্পষ্ট হয়ে উঠে। কারণ হাদীসটি রাসূল সাঃ বলেছিলেন একদল পুরুষ সাহাবীদের। আর রাসূল সাঃ এর উক্তি আমাকে যেভাবে দেখ, এ উক্তি দ্বারাও স্পষ্ট যে এ হুকুম পুরুষদের জন্য। কারণ মহিলা সাহাবীরা রাসূল সাঃ কে নামাযরত অবস্থায় দেখে না। তাই তাদের রাসূল সাঃ এর নামায দেখে নামায শিক্ষা করা সম্ভব নয়।
আলবানী সাহেবের অসার বক্তব্য
আশ্চর্যের কথা হল, উপরোল্লিখিত দলীলসমূহ এবং উম্মতের মাঝে নববী যুগ থেকে পর্যায়ক্রমে চলে আসা এই সর্বসম্মত আমলের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আলবানী সাহেব তাঁর “সিফাতুস সালাতে” ঘোষণা দিয়ে দিলেন যে, “পুরুষ ও মহিলার নামাযের পদ্ধতি এক”।
কিন্তু এই দাবির পক্ষে তিনি না কোন আয়াত পেশ করেছেন, না কোন হাদিস। আর কোন সাহাবী বা তাবেয়ীর ফাতওয়া। এহেন বক্তব্যের ভিত্তি তিনি শুধু এটাকেই বানিয়েছেন যে, পুরুষ ও মহিলার নামাযের পদ্ধতিগত পার্থক্যের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদিস নাই। অথচ তার এই দাবি প্রমাণ করার জন্য উচিত ছিল উপরোল্লিখিত দলিল সমূহ বিশ্লেষণ করা। কিন্তু তিনি তা না করে কেবল পার্থক্য সম্বলিত একটি হাদীসকে {যা বক্ষ্যমান নিবন্ধে উল্লেখিত হয়েছে} শুধু এ কথা বলে যয়ীফ বলে আখ্যা দিয়েছেন যে, হাদীসটি ‘মুরসাল’। আর মুরসাল হওয়ায় এটি দুর্বল। এ ছাড়া অন্য কোন আলোচনাই তিনি দলীল সম্পর্কে করেননি।
কিন্তু তার এই কথাটি এক গুয়েমি ছাড়া কিছু নয়। কারণ মুহাদ্দীসীনে কিরামের নিকট হাদিস মুরসাল হলেই তা অগ্রহণীয় হয়ে যায়না। কেননা প্রথমত আয়িম্মায়ে দ্বীনের অধিকাংশের মতে বিশেষত স্বর্ণযুগের ইমামগণের নিকট যদি প্রয়োজনীয় শর্তাবলী উপস্থিত থাকে। তাহলে মুরসাল হাদিসও সহীহ হাদিসের মত গ্রহণযোগ্য।
দ্বিতীয়ত: যে ইমামগণের নিকট ‘মুরসাল” হাদীসকে সহীহ বলার ব্যাপারে দ্বিধা রয়েছে তারাও মূলত কিছু শর্তের সাথে মুরসাল হাদীসকে দলীল হিসেবে পেশ করার উপযোগী মনে করেন। প্রবন্ধের শুরুতে বর্ণিত মুরসাল বর্ণনাটিতেও সেসব শর্ত বিদ্যমান রয়েছে। যার কারণে গায়রে মুকাল্লিদদের বিখ্যাত আলেম ও মুহাদ্দিস নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান “আউনুল বারী”-(১/৫২০ দারুর রাশীদ, হালাব সিরিয়া) তে লিখেছেন-“এই মুরসাল হাদীসটি সকল ইমামের উসূল ও মূলনীতি অনুযায়ী দলীল হওয়ার যোগ্য”। তার পূর্ণ বক্তব্যটি দেখুন আওনুল বারী-২/১৫৯,
পুরুষ মহিলার নামাযের পার্থক্য নেই প্রমাণ করতে আলবানী দ্বিতীয় যে কাজটি করেছেন তা খুবই গর্হিত। সেটা হল তিনি ইবরাহীম নাখয়ী রহঃ নাকি বলেছেন-“মহিলা পুরুষের মতই নামায আদায় করবে”। এই কথাটি নাকি মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবাতে আছে। অথচ সেই কিতাবের কোথাও এই উক্তিটি নাই। আল্লাহই ভাল জানেন তিনি কি করে এই কথা বলতে পারলেন!!
অথচ ইতোপূর্বে মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবার একাধিক বর্ণনা সহীহ সনদে ইবরাহীম নাখয়ী থেকে উদ্ধৃত হয়েছে। যেখানে ইবরাহীম নাখয়ী রহঃ স্পষ্টই মহিলা পুরুষের নামাযের পার্থক্যের কথা বলেছেন।
আলবানী সাহেব তার নিজের দাবী প্রমাণ করার জন্য তৃতীয় আরেকটি কাজ করেছেন। সেটা হল-ইমাম বুখারী রহঃ এর রিজালশাস্ত্রেরে একটি কিতাব “তারীখে সগীর” থেকে নিম্নোক্ত বর্ণনাটি পেশ করেছেন-
عن ام الدرداء انها كانت تجلس فى الصلاة جلسة الرجل-
“উম্মে দারদা থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি নামাযে পুরুষের মত বসতেন”।
আলবানী সাহেব খেয়াল করতে পারেননি যে, এই বর্ণনাটি দ্বারা নামাযে পুরুষ ও মহিলার বসার ভিন্নতাই প্রমাণ হয়। এক হওয়া নয়। যদি উভয় বসার পদ্ধতি এক হত, তাহলে “পুরুষের মত বসা” কথাটির কোন অর্থ থাকেনা। তাই এই কথা থেকে এটি বুঝা যায় যে, সেই যমানায় পুরুষদের মত মহিলারা বসতনা। কিন্তু তিনি যেহেতো ভিন্নভাবে বসতেন তাই এটি ইতিহাসের বর্ণনায় চলে এসেছে।
আরেকটি মজার ব্যাপার হল। উম্মে দারদা হলেন একজন তাবেয়ী। তিনি ৮০ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। তাবেয়ীর বক্তব্য দ্বারা আলবানী সাহেব দলীল পেশ করলেন। অথচ তিনিই আমাদের বর্ণিত প্রথম হাদিসটি মুরসাল বলে প্রত্যাখ্যান করলেন। আশ্চর্য ব্যাপার!!
সুতরাং যদি নামাযের পদ্ধতি বর্ণনার ক্ষেত্রে তাবেয়ীর আমল দলীল হয়ে থাকে (আসলে কথা এটাই, অর্থাৎ তাবেয়ীর কথা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য) তাহলে ইতোপূর্বে বিখ্যাত একাধিক তাবেয়ী ইমামগণের উদ্ধৃতিতে মহিলাদের নামাযের পদ্ধতির ভিন্নতার ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা গেছে। এবং একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, আয়িম্মায়ে তাবেয়ীদের তালীম ও শিক্ষা অনুযায়ী রুকু সেজদা, ও বৈঠকসহ অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের নামায পদ্ধতি পুরুষ থেকে ভিন্ন ছিল। এক্ষেত্রে শুধু একজন তাবেয়ী মহিলার ব্যক্তিগত আমলকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করাটা কিছুতেই যুক্তিযুক্ত হতে পারেনা। বিশেষ করে যখন যখন ঠিক এই বর্ণনাটির মাঝেই সুষ্পষ্ট একথার ইংগিত রয়েছে যে, এ ক্ষেত্রে এ মহিলা অন্য সাহাবী ও তাবেয়ী মহিলা থেকে সম্পুর্ণ ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেছিলেন।
সুতরাং বুঝা গেল নামাযের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে মহিলারা পুরুষদের থেকে আলাদা এটাই দলীল দ্বারা প্রমাণিত। গায়রে মুকাল্লিদ ভাইদের বক্তব্যটির কোন দলিল নেই। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সত্যকে সত্য হিসেবে মেনে নেবার তৌফিক দান করুন। আমীন।

--------------------------------------------

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। নারী এবং পুরুষের সালাতের পদ্ধতিতে কোন পার্থক্য নেই তবে পার্থক্য আছে পোশাকে, সালাতের ইমামের ভুল হলে সেটার সংশোধনের পদ্ধতি, ইমাম মহিলা হলে তাঁর কি বিধান ইত্যাদি এছাড়া মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। আমাদের দেশের বিদআতিগণ যে সমস্ত উদাহরন দিয়ে পুরুষ এবং মহিলাদের সালাতে পার্থক্য তৈরি করতে চাই তাঁর সব গুলিই জাল বা জঈফ হাদিস / আছার থেকে উদাহরন দিয়ে থাকে তাই এগুলি গ্রহণযোগ্য নয়। যদি আসলেই কোন পার্থক্য থাকত তাহলে সেই সমস্ত বিষয়ে সহিহ হাদিস বিদ্যমান থাকত কিন্ত তা নেই। নিজের মনগড়া কোন ব্যাখ্যা ইসলামী শরিয়তে গ্রহণযোগ্য নয়, ইসলামের দলিল কুরআন এবং সহিহ হাদিস এবং কোন কিছু প্রমান করতে হলে দলিল কোরআন এবং সহিহ হাদিস থেকেই দিতে হবে, কারো নিজের ইচ্ছামত ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়।

আল্লাহ্‌ আমাদেরকে সঠিক পথের উপর অটল থাকার তাউফিক ডান করুন। আমিন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। 


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-31

প্রশ্ন করেছেনঃ shahnaz begum, তারিখঃ 2014-05-28  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[704]

আছ চালামু  আলাইকুম  

মেরাজে আর  মহরমের  বাবে  কি    রোজা  রাখা  যায় ?  

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম, মেরাজ উপলক্ষে রোজা রাখা বা আলাদা কোন ইবাদত তৈরি করে নিয়ে সেটা পালন করা তা বিদআত কেননা এর কোন দলিল নেই। তবে আশুরাতে দুই দিন রোজা রাখতে পারেন কেননা তা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত যদিও অন্য হাদিসে দেখা গেছে যখন রমযানের রোজা ফরজ হয় তখন আর সাহাবারা আশুরার রোজা রাখতেন না, তবে যার ইচ্ছা সে রাখতে পারে বাঁধা নেই।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-31

প্রশ্ন করেছেনঃ ikramul hussain, তারিখঃ 2014-05-28  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[702]

আচ্চালাম আলাইকুম । জোহর, আসর এবং এসার চার রাকাত চুন্নাত নামাজ কি রকম আদায় করতে লাগে, দু-রাকাত দু-রাকাত করিয়া না এক সঙ্গে চার রাকাত ? যদি এক সঙ্গে চার রাকাত আদায় করি তবে শেষের দু-রাকাতে চুরা ফাতিহার পর অন্য কোন চুরা পরতে লাগে কি না ? 

আমি আর আমার স্ত্রী কোয়ার্টারে থাকি । আশ পাশে মছজিদ নেই, আমরা দুজনে কি জামাতে নামাজ আদায় করতে পারব ? যদি পারি তাহলে আজান দিতে লাগব কি না ?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। যোহরের আগে ৪ রাকাত সালাত আপনি একসাথে ৪ রাকাতও আদায় করতে পারেন অথবা ২+২ এভাবেও করতে পারেন। তবে ২+২ করে আদায় করাই বেশি উত্তম। আর ৪ রাকাত বিশিষ্ট সুন্নাত সালাতে প্রতি রাকাতেই সূরা ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরা মিলাবেন।

আর যদি আপনার আশে পাশে কোন মসজিদ না থাকে বা অন্য কারো সাথে জামাত করে সালাত আদায় করার মত কোন ব্যবস্থা না থাকে তাহলে আপনারা দুজনে (স্বামী-স্ত্রী) জামাত করে সালাত আদায় করতে পারেন এবং আপনি ইমাম হবেন এবং আপনার স্ত্রী আপনার ঠিক পিছনে দাঁড়াবেন, পাশাপাশি নয়। আর আপনি আযান দিবেন সালাতের পূর্বে।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-29

প্রশ্ন করেছেনঃ alamin, তারিখঃ 2014-05-28  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[700]

আমার পিতা সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন।এখন প্রশ্ন হল,সেই টাকা দ্বারা ব্যবসা করা হালাল হবে কি?সেই টাকা দ্বারা বর্ধিত মূলধনও কি হারাম হবে?সেই টাকা নেওয়া আমার জন্য জায়েজ হবে কিনা দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুদকে আল্লাহ্‌ হারাম করেছেন এবং এর সাথে যারা সংশ্লিষ্ট সবাইকে লানত করেছেন। সুদে টাকা নিয়ে ব্যবসা হালাল নয় এবং এর বর্ধিত টাকাও হারাম। তাই এই টাকা নেওয়া আপনার জন্য জায়েজ নয়।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-29

প্রশ্ন করেছেনঃ ali mohammad munsur, তারিখঃ 2014-05-28  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[699]

Assalamu alaikum. Apnader ai system amar onek vlo legese. 1.amar mone hoy ami besidin basbona. Ati Quran r hadiser aloke bolle .onek upokrito hobo 2. Manus gume j sopno dekhe. Ai somporke .Quran r hadis a ki bole --------------------------------------------

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনার যা মনে হয় সেটা আপনার মনের ভুল কেননা কেউ জানে না কখন তাঁর মৃত্যু হবে তবে সব সময় মৃত্যুর কথা স্মরণ রাখা ভালো তাতে খারাপ কাজ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা যায় এবং আল্লাহর ইবাদত বন্দেগীতে বেশি মনযোগী হওয়া যায়।

আর স্বপ্ন তিন ধরনেরঃ
১। আল্লাহর পক্ষ থেকে ভালো স্বপ্ন।
২। শয়তানের পক্ষ থেকে মন্দ স্বপ্ন - খারাপ স্বপ্ন দেখলে কারো সাথে শেয়ার করবেন না এবং বাম দিকে তিনবার হালকা থুথু মিশ্রিত ফুঁক দিবেন এবং আউজুবিল্লাহ... পড়বেন।
৩। মনের ভুল - মানুষ যা কল্পনা করে তাই তাঁর স্বপ্নে আসে, যার কোন ভিত্তি নেই।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-29

প্রশ্ন করেছেনঃ salim hasan, তারিখঃ 2014-05-27  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[696]

তাহাজ্জুত এর নামাজ কি রাত ১১-১১.৩০মিনিট  এ পড়লে হবে ?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এই সময় আদায় করতে পারেন তবে উত্তম হচ্ছে ঘুম থেকে জেগে উঠে রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আদায় করে। বিস্তারিত দেখতে পারেন এই লিঙ্কে।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-27

প্রশ্ন করেছেনঃ MOFIZ UR RAHMAN, তারিখঃ 2014-05-27  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[691]

আস-সালামু আলাইকুম

সিজদারত অবস্থাই বেশি বেশি দোয়া চাইতে হয় এখন কেও যদি তার নিজের মাতৃ ভাষাতে চাই সেটা কি আল্লাহ্‌র কাছে গ্রহন যোগ্য হবে।  

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। মাতৃভাষায় দু'আ করতে কোন বাঁধা নেই ইনশাল্লাহ তবে সম্ভব হলে আরবি অর্থ বুঝে যে সমস্ত মাসনুন দুয়া রাসুল (সাঃ) আমাদের শিখিয়ে গেছেন সেগুলি পড়তে পারলে সবচেয়ে উত্তম।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-27

প্রশ্ন করেছেনঃ MOFIZ UR RAHMAN, তারিখঃ 2014-05-27  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[689]

আস-সালামু আলাইকুম

বাথরুমে যদি মনে মনে কোন ধর্ম সম্পর্কিত সাধারান কথা মনে আসে তাহলে কি গুনাহ হবে?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

এতে কোন গুনাহ হবেনা। ইনশা-আল্লাহ। 


উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী | তারিখঃ 2014-05-28

প্রশ্ন করেছেনঃ MOFIZ UR RAHMAN, তারিখঃ 2014-05-27  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[688]

আস-সালামু আলাইকুম

বিতর নামাযে দুয়া কুনুত পড়ার পদ্ধতি জানতে চাই এবং উক্ত সময়ে দু হাত উঠিয়ে মুনাজাত করার ন্যায় কুনুত পাঠ করবো না কি বুকে হাথ বেঁধে?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। বিতরের কুনুত দুই হাত উঠিয়ে পড়বেন তবে কুনুত শেষে হাত মুখে মাসাহ করবেন না।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-29


PAGE: 10 OF 53 /মোট 523 টি প্রশ্নোত্তর
প্রতি পাতাতে টি প্রশ্নোত্তর


COPYRIGHT

2013-2016 Bangla Hadith, All rights reserved.
Developed & Maintain by: Rokon-ul-Haque

Privacy Policy: Click to read the Privacy Policy

DONATION

বাংলা হাদিসের প্রজেক্ট সমূহকে সহযোগিতা করুন। এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত, আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইনশাল্লাহ।

CONTACT US

ROKON-UL-HAQUE
info@hadithbd.com
+880 1714110630
https://www.facebook.com/hadithbd
https://www.youtube.com/c/hadithbdTube

VISITOR'S COUNTER

61 জন অনলাইনে আছেন
505 জন আজকের ভিজিটর
1,408,302 জন সর্বমোট ভিজিটর
16,446,865 বার সর্বমোট পেজ হিট

Fatal error: Cannot redeclare EPCNTR_Go_Error() (previously declared in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php:614) in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php on line 637