Google Play

Google App Google Play

উত্তরদাতা অনুসারে সার্চ করুন কি-ওয়ার্ড সার্চ
হুবুহু সার্চ

প্রশ্ন করেছেনঃ জহিরুল ইসলাম, তারিখঃ 2014-07-06  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[884]

আসসালামু আলাইকুম,

আমি শুনেছি ব্যাংকে টাকা রেখে সুদ সহ বৃদ্ধি হলে ঐ টাকা হারাম। সেক্ষেত্রে মূল টাকা রেখে সুদের টাকা কোথাও ব্যাক্তি বা সেবামুলক প্রতিষ্ঠানকে বিনা সওয়াবের আশায় দান করা যাবে। তারপর থেকে সুদ খাওয়া যাবে না। এখন আমার প্রশ্ন

আমার বোন এর দুই বাচ্চা স্কুলে পড়ায় তার স্বামীর বর্তমানে চাকুরী নেই। এবং তার কাছে ইসলামী ব্যাংকে এক লক্ষ টাকা ছিল তা দিয়ে তিনি একটি মার্কেটে কাপড়ের ব্যবসা চালু করেন যা এই টাকায় কিছুেই হবে না। তাই তিনি তার নিজের ভাই এর কাছ থেকে 50/70 হাজার টাকা হাওলাত নিয়েছেন। আমার ছোট ভাইয়ের কাছ থেকে এবং আমার মায়ের কাছ থেকেও মোট দেড় লক্ষ টাকা নিয়েছেন। দোকানের অগ্রীম বাবদ লক্ষাধিক টাকা চলে গেছে অর্থ্যাৎ তার নিজের টাকায় কোন মাল কিনার টাকা ছিল না যেহেতু তার পুজি ছিল এক লক্ষ টাকা। এখন আমি আমার ব্যাংকের সুদ বাবদ টাকাটা চচ্ছি তাকে দান করতে এবং নিজে সুদ মুক্ত হতে। আমি কি তাকে টাকাটা দিতে পারব। অর্থাৎ সে কি এই টাকা পাওয়ার যোগ্য। সে তার সংসার বর্তমানে চালাতে পারছেন না যেহেতু দোকান এর আয়ও এত অল্প যে বাচ্চাদের খাবার ও হয় না । তার কাছে এক লক্ষ টাকা ছাড়াও কিছু টাকা ছিল যা তিনি চাকুরী চলে যাওয়ার পর গত 8/9 মাসে খরচ করে ফেলেছেন। দয়া করে তাড়াতাড়ি জানাবেন। আমি চাই রমজান মাসের মধ্যেই তাকে টাকাটা দিয়ে আমি আমার সুদ মুক্ত হতে। 

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনি তাকে আপনার যাকাতের টাকা দিতে পারেন কোন সমস্যা নেই কিন্তু সূদের টাকা আপনি জনকল্যাণ মুলক কাজে দিয়ে দিন সাওয়াবের আশা ব্যাতিত এবং সুদমুক্ত হউন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-17

প্রশ্ন করেছেনঃ Md.Abul Kalam Dewan, তারিখঃ 2014-07-04  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[877]

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহামাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমার প্রশ্নটি হচ্ছে ;

আমি জামাতে তারাবি সলাত আদায় করতে পারছিনা। বাসায় একাকি আদায় করেথাকি।

আমি জানি তারাবি সলাত ধিরস্থিরে লম্বা কিরাতে ,রুকু, সেজদায় আদায় করা উত্তম। কিন্তু আমি কোন বড় সুরা মুখস্ত পারিনা।এক্ষেত্রে আমি যে সব সুরা জানি সেগুলুকে এক রাকাতে একত্র করেও প্রত্যেক রাকাতে এমনিকরে  পড়তে পারব ?জানানোর জন্য অনুরুধ করছি। আপনাদেরকে এর জন্য অফুরন্ত নেকি দান করুন। আমীন।

 

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। চেষ্টা করুন নতুন নতুন সূরা সমুহ মুখস্থ করার জন্য আর আপনি যদি এক রাকাতে একাধিক ছোট সূরা দিয়ে সালাত আদায় করেন সমস্যা নেই ইনশাল্লাহ।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-04

প্রশ্ন করেছেনঃ manirujjaman, তারিখঃ 2014-07-02  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[873]

আস-সালামু আলাইকুম । চার রাকাত বিশিষ্ট সুন্নুত নামাজের সময় তিন এবং চার রাকাত এর সময় সুরা ফাতেহার সংগে কি অন্য সুরা পড়তে হবে ?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। জি পড়বেন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-04

প্রশ্ন করেছেনঃ manirujjaman, তারিখঃ 2014-07-02  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[872]

আস-সালামু আলাইকুম । কেউ যদি জামতের শেষে কার ও অসুস্থতার জন্য বা অন্য কারনে দোয়া চাই তবে সেই দোয়া করার পদ্ধতি কেমন হবে ? 

উত্তরঃ

অয়ালাইকুম আস-সালাম। একাকী তার জন্য দুয়া করবেন সম্মিলিত ভাবে নয়।
আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-04

প্রশ্ন করেছেনঃ Md Golam Kibria, তারিখঃ 2014-07-02  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[870]

আসসালামু আলাইকুম,আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি জানি কেউ যদি রামজান মাসের সাওম পালন করতে না পারে তবে তার সাওম এর পরিবর্তে ফিদিয়া সরুপ একজন মিসকিনকে প্রতিদিন একবেলা পেট পুরে খাওয়াতে হয়। যদি খাওয়াতে পারা না যায় তবে সমপরিমান টাকা প্রদান করা যাবে কি?জদি জায় তবে প্রতিদিন কত টাকা দিতে হবে?আর প্রতিদিনের টাকা প্রতিদিন দিতে হবে নাকি পুরা মাসের টাকা একবারে প্রদান করা যাবে দয়া করে জানাবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

উত্তরঃ

অয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেখুন এই লিঙ্কে


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-05

প্রশ্ন করেছেনঃ mohammed shahjahan, তারিখঃ 2014-07-02  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[869]

আসালামুয়ালায়কুম
যাকাতের অর্থ কাকে দেওয়া যাবে ?

উত্তরঃ

অয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনার প্রশ্নের উত্তর নিম্নরূপ;
 

১. ফকির: যাদের নিকট তাদের প্রয়োজনের অর্ধেকও নেই। বছরের ছয় মাস যে নিজের ও পরিবারের খরচের বহনে অক্ষম সেই ফকির। তার ও তার পরিবারের এক বছরের প্রয়োজন মোতাবেক তাকে যাকাত দেয়া হবে।

২. মিসকিন: যাদের নিকট তাদের প্রয়োজনের অর্ধেক বা তার চেয়ে অধিক রয়েছে, কিন্তু পূর্ণ বছরের খোরাক নেই, এদেরকে যাকাত থেকে অবশিষ্ট বছরের খাদ্য দেয়া যাবে।

যদি কোন ব্যক্তির নিকট নগদ অর্থ নেই, কিন্তু তার অন্য উৎস, অথবা চাকুরী অথবা সামর্থ রয়েছে, যা তার প্রয়োজন পূরণে যথেষ্ট, তাকে যাকাতের অর্থ দেয়া যাবে না। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«لا حظَّ فيها لغني ولا لقوي مكتسب»

“ধনী ও কর্মঠ ব্যক্তিদের জন্য যাকাতে কোন অংশ নেই”।[1]

৩. যাকাত উসুলে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ: যাদেরকে সরকার যাকাত উত্তোলন, যাকাত বিতরণ ও যাকাত সংরক্ষণের জন্য নিয়োগ দেয়, তাদেরকে তাদের কর্ম মোতাবেক যাকাত থেকে পারিশ্রমিক দেয়া যাবে, যদিও তারা ধনী হয়।

৪. ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য বিশেষ ব্যক্তিবর্গ: যারা কোন সম্প্রদায়ের সরদার, যাদের ঈমান দুর্বল, তাদের ঈমানের দৃঢ়তা বৃদ্ধির জন্য যাকাত থেকে তাদেরকে দেয়া যাবে, যেন তারা ইসলামের প্রতি আহ্বানকারী ও তার আদর্শ ব্যক্তিরূপে গড়ে উঠে। আর যদি দুর্বল ঈমানদার ব্যক্তি সরদার না হয়ে সাধারণ হয়, তার ঈমানের দৃঢ়তা বৃদ্ধির জন্য যাকাত দেয়া যাবে কি-না?

কতক আলেম বলেন তাকে যাকাতের অর্থ দেয়া যাবে, কারণ দ্বীনের স্বার্থ শরীরের স্বার্থের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ ফকিরকে যখন তার শরীরের প্রয়োজনে খাদ্যরূপে যাকাত দেয়া বৈধ, তাহলে তার অন্তরের খাদ্যরূপে ঈমান অধিক উপকারী। কতক আলেম বলেছেন তাকে যাকাত দেয়া যাবে না, কারণ তার ঈমানের দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে শুধু ব্যক্তি স্বার্থ বিদ্যমান, যা শুধু তার সাথেই খাস।

৫. গর্দান মুক্ত করা: অর্থাৎ যাকাতের অর্থে গোলাম খরিদ করা ও আযাদ করা, চুক্তিবদ্ধদের মুক্ত হতে সাহায্য করা এবং মুসলিম বন্দীদের মুক্ত করার জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয় করা।

৬. ঋণগ্রস্ত: যাদের নিকট তাদের ঋণ পরিশোধ করার অর্থ নেই, তাদের ঋণ পরিমাণ অর্থ কম/বেশী যাকাত থেকে দেয়া যাবে, যদিও তাদের খাদ্যের অভাব না থাকে। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যদি এমন হয়, যার নিজের ও পরিবারের খাদ্যের ব্যবস্থা আছে, কিন্তু ঋণ পরিশোধ করার সামর্থ তার নেই, তাকে ঋণ পরিমাণ যাকাত দেয়া যাবে। কিন্তু ঋণী ব্যক্তি থেকে ঋণ মৌকুফ করে যাকাতের নিয়ত করলে যাকাত শুদ্ধ হবে না।

যদি পিতা-মাতা অথবা সন্তান ঋণগ্রস্ত হয়, তাদেরকে যাকাতের অর্থ দেয়া যাবে কি না, এ ব্যাপারে আলেমদের দ্বিমত রয়েছে, বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী তাদেরকে যাকাত দেয়া বৈধ।

যাকাত আদায়কারী ঋণদাতার কাছে গিয়ে ঋণগ্রস্তের পক্ষ থেকে তার হক আদায় করে দিতে পারবে যদিও ঋণগ্রস্ত তা না জানে। তবে শর্ত হচ্ছে যাকাত আদায়কারীকে নিশ্চিতভাবে জানতে হবে যে, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণ পরিশোধে অক্ষম।

৭. ফি সাবিলিল্লাহ বা আল্লাহর রাস্তা: অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য যাকাত দেয়া যাবে। অতএব মুজাহিদদেরকে তাদের প্রয়োজন মোতাবেক যাকাতের অর্থ দেয়া জায়েয। যাকাতের অর্থ দিয়ে জিহাদের অস্ত্র খরিদ করাও বৈধ।

আল্লাহর রাস্তার একটি হচ্ছে, শর‘য়ী ইলম। সুতরাং শর‘য়ী জ্ঞান অন্বেষণকারীকে তার প্রয়োজন মোতাবেক কিতাব ইত্যাদি ক্রয় করার জন্য যাকাতের অর্থ দেয়া বৈধ, তবে সে সচ্ছল হলে ভিন্ন কথা।

৮. ইবন সাবিল: অর্থাৎ মুসাফির, যার পথ খরচ শেষ হয়ে গেছে, তাকে যাকাত থেকে বাড়িতে পৌঁছার অর্থ দেয়া যাবে।

এরা সবাই যাকাতের খাত ও হকদার। আল্লাহ স্বয়ং কুরআনে এদের উল্লেখ করেছেন। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরয, যা তিনি স্বীয় জ্ঞান ও প্রজ্ঞা থেকে তার বান্দাদের উপর ফরয করেছেন।

এ খাতসমূহ ব্যতীত অন্য কোন খাতে যাকাত ব্যয় করা যাবে না, যেমন, মসজিদ নির্মাণ অথবা রাস্তাঘাট তৈরী বা মেরামত; কেননা আল্লাহ যাকাতের খাত সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। নির্দিষ্ট করার পরার পর তা আর অনির্দিষ্ট খাতে দেয়া যায় না।

আমরা যাকাতের এসব খাত নিয়ে চিন্তা করলে দেখতে পাই, এদের কেউ যাকাতের মুখাপেক্ষী, আবার কেউ আছে যার মুখাপেক্ষী মুসলিম উম্মাহ। এখান থেকে আমরা যাকাত ওয়াজিবের হিকমত বুঝতে পারি। অর্থাৎ এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি সুশৃঙ্খল ও সুন্দর সমাজ গঠন করা। ইসলাম সম্পদ ও সম্পদের উপর ভিত্তি-করা স্বার্থকে গৌণভাবে দেখে নি। আবার ইসলাম লোভী, কৃপণ আত্মাকে তার প্রবৃত্তি ও কৃপণতার উপর ছেড়ে দেয় নি, বরং ইসলাম হচ্ছে, সর্বোত্তম কল্যাণের পথ-প্রদর্শক এবং জাতিসমূহের সর্বোৎকৃষ্ট সংশোধনকারী।


[1] আবু দাউদ: (১৬৩৩), নাসায়ি: (২৫৯৮), আহমদ: (৪/২২৪)

সুত্রঃ সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত বিষয়ে কয়েকটি অধ্যায়
শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-উসাইমীন –রাহিমাহুল্লাহ
 

 


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-05

প্রশ্ন করেছেনঃ fazley elahi mridha, তারিখঃ 2014-06-30  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[865]

রোজা রেখে ইনহেলার ব্যবহার করা যাবে কি ?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। শ্বাসকষ্ট জনিত যাদের রোগ আছে তারা ইনহেলার ব্যবহার করতে পারবে ইনশাল্লাহ কেননা তা খাবারের বিকল্প কিছু নয়।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-01

প্রশ্ন করেছেনঃ Md. Farhad Hossain, তারিখঃ 2014-06-30  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[864]

হুজুর আমরা মসজিদে যখন জামাতে সব ধরণের ফরজ সালাত আদায় করি, তখন মসজিদের ইমাম জোরে জোরে সূরা ফাতেহা পাঠ করে, তখন কি হুজুরের সাথে সাখে সূরা ফাতেহা পাঠ, না কি চুপ করে শ্রবণ করব...????? না কি হুজুরের সাথে সাথে সূরা ফাতেহা পাঠ করার পর অন্য যে কোন সূরা দিয়ে নামাজ আদায় করব, আমি বলতে চাই, মসজিদে হুজুরের সাথে ফরজ নামাজের সময় কি সূরা ফাতেহা পাঠ করতে হবে কি না...??? যদি করতে হয় তাহলে হুজুরের সাথে সূরা ফাতেহা পাঠ করার পর নিজে নিজে অন্য সূরা দিয়ে কি নামাজ আদায় করতে হবে....????? যদি নিয়মটা একটু পরিষ্কার ভাবে বলে দেন তাহলে উপকৃত হব, মোহাম্মদঃ ফরহাদ হোসেন।

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আপনি ইমামের সাথে সাথেই সুরা ফাতিহা পাঠ করবেন তবে কোন ভাবেই ইমামের আগে আগে নয়। তবে যদি আপনি ইমামের সুরা ফাতিহা পাঠ শুনতে পান তাহলে আপনি পাঠ না করলেও চলবে তবে শুনতে না পেলে অবশ্যই পাঠ করতে হবে। আর যে সময় ইমামের কিরাত আপনি শুনতে পান না তখন সুরা ফাতিহার সাথে চাইলে অন্য যে কোন সুরা আপনি পাঠ করতে পারেন তবে অন্য সুরা পাঠ না করলেও কোন সমস্যা নেই।
 

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-01

প্রশ্ন করেছেনঃ muktabul hussain, তারিখঃ 2014-06-29  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[863]

আপনে লিখেছেন বিতড় নামাজেড় আগে জামাত চেড়ে যাৱা ঠিক নয়, যিহেতু আমাদেড় গ্ৰামে হানিফি মাজহাবেড় তড়িকাই বিতড় চালাত পঢ়ে যে পদ্ধতি চহীহ দলীল ভিত্তিক নয়। তাহলে কি আমড়া ঐ পদ্ধতিড় বিতড় আদায় কড়া যাবে কি না?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহিমানির রাহিম। আপনি বাসায় গিয়ে একাকী আদায় করতে পারেন কোন সমস্যা নেই ইনশাল্লাহ।
 

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-01

প্রশ্ন করেছেনঃ জহিরুল ইসলাম, তারিখঃ 2014-06-29  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[862]

আসসালামু আলাইকুম,

আমার প্রশ্ন ঃ সহীহ হাদিসে আছে রসুল (সাঃ) রাতে এশার পরে 11 রাকাআতের বেশী পড়তেন না। রোযার মাসে এটা কি তারাবি নাকি তাহাজ্জুদ। যদি তাহজ্জুদ হয় তাহলে তারাবী কোনটা অথবা কত রাকাআত। যদি তারাবী হয় তাহলে তাহাজ্জুদ কোনটা বা কত রাকাআত।

ধন্যবাদ।

 

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুন এই লিঙ্কে


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-06-29


PAGE: 4 OF 53 /মোট 523 টি প্রশ্নোত্তর
প্রতি পাতাতে টি প্রশ্নোত্তর


COPYRIGHT

2013-2016 Bangla Hadith, All rights reserved.
Developed & Maintain by: Rokon-ul-Haque

Privacy Policy: Click to read the Privacy Policy

DONATION

বাংলা হাদিসের প্রজেক্ট সমূহকে সহযোগিতা করুন। এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত, আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইনশাল্লাহ।

CONTACT US

ROKON-UL-HAQUE
info@hadithbd.com
+880 1714110630
https://www.facebook.com/hadithbd
https://www.youtube.com/c/hadithbdTube

VISITOR'S COUNTER

41 জন অনলাইনে আছেন
1,729 জন আজকের ভিজিটর
1,418,929 জন সর্বমোট ভিজিটর
16,525,847 বার সর্বমোট পেজ হিট

Fatal error: Cannot redeclare EPCNTR_Go_Error() (previously declared in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php:614) in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php on line 637