Google Play

Google App Google Play

উত্তরদাতা অনুসারে সার্চ করুন কি-ওয়ার্ড সার্চ
হুবুহু সার্চ

প্রশ্ন করেছেনঃ Sayed Mizan, তারিখঃ 2014-05-10  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[618]

আসসালামু-আলাইকুম!

১/ প্রথম ওমরাহ সম্পূর্ন করার পর মীকাতে গিয়ে পুনরায় ইহরাম বেঁধে একাধিকবার ওমরাহ পালন করা কতটুকু শুদ্ধ?

২/ রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর যিয়ারত কীভাবে করব? বিস্তারিত জানাবেন।

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম।

১/ প্রথম ওমরাহ করার পর আবার আয়েশা মসজিদে গিয়ে ইহরাম করে বারবার উমরা করা কোন ভাবেই শুদ্ধ নয়। তবে আপনি যদি মদিনা যান এবং এরপর আবার মক্কাতে ফেরত আছেন তাহলে আপনি জুল হুলায়ফা থেকে ইহরাম করে এসে উমরাহ করতে পারবেন এবং তা শুদ্ধ।

২/ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পবিত্র কবরের সামনে এলে আদবের সাথে দাঁড়ান। দাঁড়ানোর সুযোগ না পেলে চলমান অবস্থাতেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রতি সালাম পেশ করুন, বলুন—‘السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيَّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ—আপনার ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকতসমূহ বর্ষিত হোক হে আল্লাহর নবী’, রাসূলুল্লাহর গুণাবলির সাথে সংগতিপূর্ণ আরো কিছু শব্দ বাড়িয়ে দেয়া যাবে। বলা যাবে—

السَّلاَمُ عَلَيْكَ يَا خَلِيْلَ اللهِ ، وَأَمِيْنَـــهُ عَلَى وَحْيِهِ ، وَخَيْرَتَه مِنْ خَلْقِه ، أَشْهَدُ أَنَّكَ قَدْ بَلَّغْتَ الرِّسَالَةَ ، وَأَدَّيْتَ الأَمَانَـــــــةَ ، وَنَصَحْتَ الأُمَّـــــــــــــــةَ ، وَجَاهَدْتَ فِيْ اللهِ حَقَّ جِهَادِه .

-আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে আল্লাহর বন্ধু! তাঁর ওহির বিশ্বস্ত পাত্র, ও তাঁর সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। আমি সাক্ষী দিচ্ছি, আপনি নিশ্চয়ই রেসালত পোঁছিয়ে দিয়েছেন। আমানত আদায় করেছেন। উম্মতকে নসিহত করেছেন। ও জিহাদ করেছেন আল্লাহর বিষয়ে সত্যিকারের জিহাদ)।

  1. এরপর সামনের দিকে এক গজ পরিমাণ এগিয়ে যান। এখানে আবুবকর সিদ্দীক (রাঃ) এর প্রতি সালাম পেশ করুন। বলুন—

السَّلاَمُ عَلَيْكَ يَا أَبَا بَكْرٍ ، السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا خَلِيْفَةَ رَسُوْلِ اللهِ فِيْ أُمَّتِه ، رَضِيَ اللهُ عَنْكَ وَجَزَاكَ عَنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ خَيْرًا.

-আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে আবু বকর, আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে রাসূলুল্লাহর খলিফা তাঁর উম্মতের ভেতর। আল্লাহ আপনার ওপর রাজি হোন। উম্মতে মুহাম্মদির পক্ষ থেকে আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদানে ভূষিত করুন।

  1. এরপর আরেক গজ সামনে আগান। এখানে ওমর (রাঃ) এর প্রতি সালাম পেশ করুন। বলুন—

ا لسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا عُمَرُ، السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا أَمِيْرَ المُؤْمِنِيْنَ، رَضِيَ اللهُ عَنْكَ وَ جَزَاكَ عَنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ خَيْرًا .

-আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে ওমর, আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে আমিরুল মুমিনিন। আল্লাহ আপনার ওপর রাজি হোন। উম্মতে মুহাম্মদির পক্ষ থেকে আপনাকে উত্তম প্রতিদানে ভূষিত করুন।

 এরপর বাইরে চলে আসুন। কেবলামুখী হয়ে বা কবরের দিকে মুখ করে দোয়া করবেন না। ইমাম মালেক (রহ.) বলেন, ‘কবরের কাছে দোয়া করতে দাঁড়ানো আমি শুদ্ধ মনে করি না। তবে সালাম দেবে, ও চলে যাবে যেমনটি করতেন ইবনে ওমর ()। ইমাম ইবনুল জাওযি বলেন, ‘দোয়া করতে কবরে যাওয়া মাকরুহ। ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ একই মন্তব্য ব্যক্ত করে বলেন, ‘দোয়ার উদ্দেশ্যে কবরে যাওয়া মাকরুহ। দোয়ার জন্য কবরের কাছে দাঁড়ানোও মাকরুহ।[1] তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাথীদ্বয়ের () কবরের কাছে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানো ও নিজের জন্য দোয়া করা উচিত নয়। সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে কেউই কবরের কাছে দাঁড়িয়ে নিজের জন্য দোয়া করতেন বলে ইতিহাসে নেই। সাহাবাগণ, বরং, মসজিদে নববির যে কোনো জায়গায় দোয়া করতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হুজরা মুবারকের কাছে এসেও তাঁরা দোয়া করতেন না।

 ইমাম মালেক (রহ.) মদিনাবাসীদের জন্য, যতবার মসজিদে প্রবেশ করবে ততবার, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কবরে আসা ভালো মনে করতেন না। কেননা সালাফে-সালেহীনদের কেউই এরূপ করতেন না। তাঁরা বরং মসজিদে নববিতে আসতেন। আবুবকর, ওমর, উসমান ও আলী (রাদি আল্লাহু আনহুম) এর পেছনে সালাত আদায় করতেন। সালাতের মধ্যেই রাসূলুল্লাহর প্রতি সালাম পেশ করতেন। বলতেন, السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيَّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ সালাত শেষে হয়তো বসতেন অথবা বের হয়ে চলে যেতেন। সালাম পেশ করার জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কবরে আসতেন না। কেননা তাঁরা জানতেন যে সালাতের মধ্যে যে দরুদ ও সালাম পেশ করা হল তা অধিক উত্তম ও পূর্ণাঙ্গ। [2]

সাহাবাগণ যখন নিজের অভাব অনটনের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে চাইতেন, কেবলামুখী হয়ে মসজিদের ভেতর দোয়া করতেন। যেমনটি করতেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জীবিত থাকা কালে। দোয়া করার জন্য হুজরা মুবারকের কাছে যেতেন না, কবরেও প্রবেশ করতেন না। সাহাবাগণ দূরদূরান্ত থেকে খুলাফায়ে রাশেদিনদের সাথে দেখা করতে এলে মসজিদে নববিতে সালাত আদায় করতেন। সালাতের ভেতর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করতেন। মসজিদে প্রবেশ ও মসজিদ বের হওয়ার সময়ও সালাত ও সালাম পেশ করতেন, বলতেন,

بِسْمِ اللِه، والصَّلاَةُ وَالسَّلاَمُ عَلَى رَسُوْلِ اللهِ .

কবরের কাছে এসে সাধারণত সালাম পেশ করতেন না। কেননা এরূপ করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নির্দেশ করেননি। হাঁ, ইবনে উমর () সফর থেকে ফিরে এলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাথি-দ্বয়ের কবরে এসে সালাম পেশ করতেন। তবে অন্যান্য সাহাবা এরূপ করতেন না।

 

রাসূলুল্লাহ () এর পবিত্র কবর যিয়ারতের সময় নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পবিত্র কবর হুজরা শরীফের অভ্যন্তরে অবস্থিত। তাই কবরের দেয়াল ছুঁয়ে বরকত নেয়ার জজবা অনেকের মধ্যে থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। আসলে এ ধরনের জজবা-বাসনা থাকাই উচিত না। কেননা কবরের চার পাশে তাওয়াফ, কবর ছুঁয়ে বরকত নেয়া ইত্যাদি শরিয়তে অনুমোদিত নয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন যে তাঁর কবরকে যেন পূজ্য মূর্তিতে রূপান্তরিত করা না হয়।[3] আর স্পর্শ ও চুম্বন করার বিধান তো কেবল হাজরে আসওয়াদের বৈশিষ্ট্য। পবিত্র কাবার রুকনে য়ামেনিও স্পর্শ করার বিধান রয়েছে। এছাড়া অন্য কোনো জায়গা, এমনকী পবিত্র কাবার অন্য কোনো অংশ স্পর্শ করে বরকত নেয়ারও বিধান নেই। মুআবিয়া () একদা হজ করার সময় রুকনে শামি ও রুকনে গারবি অর্থাৎ কাবা শরীফের উত্তর পাশের দুই কোণ স্পর্শ করলেন। ইবনে আববাস (রাঃ) বিরোধিতা করলেন। এরূপ করা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর বিধানে নেই, স্পষ্ট করে তিনি মুআবিয়া (রাঃ) কে বুঝিয়ে দিলেন। মুআবিয়া খলিফা থাকা সত্ত্বেও ইবনে আববাস (রাঃ) এর কথা মেনে নিলেন। হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে য়ামেনি ব্যতীত যদি পবিত্র কাবার অন্য কোনো অংশ স্পর্শ করা শরিয়ত বহির্ভূত কাজ হয়ে থাকে তবে অন্য কোনো জায়গা ছুঁয়ে বরকত নিতে যাওয়া যে বড়ো বেদআত, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই কবরে ঘর্ষণ মর্দন, গন্ডদেশ ও বক্ষ লাগিয়ে বরকত নেয়ার ইচ্ছা করা হকপন্থী সকল মুসলমানদের কাছে অবৈধ। বরং এটা একপ্রকার শিরক।[4] পবিত্র কাবার অনুমোদিত অংশ ব্যতীত অন্য কোনো অংশ মাসেহ করা, ছোঁয়া যদি পুণ্যের কাজ না হয়ে থাকে তাহলে হুজরার দরজা জানালা স্পর্শ করে কী কোনো পুণ্যের আশা করা যেতে পারে?। হুজরার দেয়াল ও দরজা-জানালা তো নির্মিত হয়েছে বহু পরে। রাসূলের মহববত কবরের দরজা-জানালা স্পর্শ করে নয় বরং যথার্থভাবে রাসূলের আনুগত্য-ইত্তেবার মাধ্যমেই প্রকাশ করতে হয় রাসূলুল্লাহর মহববত ও তাজিম।

বিপদমুক্তি অথবা কল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে প্রার্থনা করা যাবে না। বলা যাবে না যে হে আল্লাহর রাসূল আমাকে অমুক বিপদ থেকে মুক্ত করুন। অথবা আর্থিক স্বচ্ছলতা দান করুন। কেননা এজাতীয় কাজ করা শিরক। এজাতীয় দোয়া কেবল আল্লাহ রাববুল আলামিনকে খেতাব করেই করতে হয়। এরশাদ হয়েছে—

وَقَالَ رَبُّكُمْ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ

-এবং তোমাদের প্রতিপালক বললেন, আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। নিশ্চয় যারা আমার ইবাদতের প্রতি দম্ভ প্রদর্শন করে তারা প্রবেশ করবে জাহান্নামে, অপদস্ত হয়ে।[5] অন্য এক জায়গায় এরশাদ হয়েছে, ‘قُلْ لَا أَمْلِكُ لِنَفْسِي ضَرًّا وَلَا نَفْعًا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ -বলুন আমি আমার নিজের কোনো অকল্যাণের বা কল্যাণের মালিক নই, তবে আল্লাহ যা চান।[6] রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন নিজের কল্যাণের-অকল্যাণের মালিক নিজে নন, তাহলে তিনি অন্যদের কল্যাণ-অকল্যাণ কীভাবে সাধন করতে পারেন। এ কথাটাই অন্য একটি আয়াতে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে, আয়াতটি হল— قُلْ إِنِّي لَا أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا رَشَدًا-বলুন, আমি তোমাদের কোনো ক্ষতি বা কল্যাণের মালিক নই।[7] আয়েশা () থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, তিনি বলেন, যখন ‘ وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ -আপনি আপনার সগোত্রীয় নিকট ব্যক্তিদেরকে ভয় দেখান[8], তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে বললেন, ‘হে ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ, হে সাফিইয়া বিনতে আব্দুল মুত্তালিব, হে আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানরা, আল্লাহর পক্ষ থেকে আমি তোমাদের জন্য কোনো কিছুরই মালিক নই। আমার সম্পদ থেকে তোমাদের যা ইচ্ছা চাও।

গুনাহ মাফ করানোর জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে বলাও ঠিক নয়। কেননা রাসূলুল্লাহ (স) এর ওফাতের পূর্বে এরূপ করা যেতো কিন্তু ওফাতের পর এ ধরনের কোনো অবকাশ নেই। মৃত্যুর পর মানুষের সকল কাজ রহিত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একটি স্পষ্ট হাদিস রয়েছে।[9] সূরা নিসার ৬৪ নম্বর আয়াত যেখানে আল্লাহ পাক বলেছেন—

 وَلَوْ أَنَّهُمْ إِذْ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ جَاءُوكَ فَاسْتَغْفَرُوا اللَّهَ وَاسْتَغْفَرَ لَهُمْ الرَّسُولُ َوَجَدُوا اللَّهَ تَوَّابًا رَحِيمًا

অর্থ : এবং যদি তারা স্বীয় জীবনের উপর অত্যাচর করার পর তোমার নিকট আগমন করত, তৎপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত, আর রাসূলও তাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইত, তবে নিশ্চয় তারা আল্লাহকে তওবা কবুলকারী, করুনাময় প্রাপ্ত হত।[10]

-এ আয়তের সম্পর্ক রাসূলুল্লাহর জীবদ্দশার সাথে। এ আয়াতের মধ্যে রাসূলুল্লাহর মৃত্যুর পরও গুনাহ মাফ করানোর জন্য আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করতে তাঁর কাছে আর্জি পেশ করার কথা উল্লেখ নেই। আরবি ভাষার ব্যবহার রীতি অনুযায়ী এখানে إذا ব্যবহার করলে ভবিষ্যৎ কালেও এ প্রক্রিয়াটি কার্যকর থাকত। কিন্তু এখানে إذا ব্যবহার না করে إذ ব্যবহার করায় প্রক্রিয়াটি অতীতকালের জন্য নির্দিষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর অর্থ, অতীতে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জীবদ্দশায়, অন্যায় করে যদি কেউ আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফ চায়, এবং রাসূলুল্লাহও তাদের জন্য গুনাহ মাফ চান, তাহলে তারা নিশ্চয়ই আল্লাহকে তাওবা গ্রহণকারী ও দয়াময় পাবে।

নারীর কবর যিয়ারত নিয়ে বিতর্ক আছে। এক হাদিসে কবর যিয়ারতকারী নারীর প্রতি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অভিসম্পাত করেছেন। এই হাদিসের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি শরিয়তজ্ঞ ওলামাদের একদল নারীর কবর যিয়ারত, হোক তা রাসূলুল্লাহর কবর, অবৈধ বলেছেন। অপর পক্ষে অন্যদল বলেছেন বৈধ। তাদের মতে কবর যিয়ারত, পূর্বে, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই অবৈধ ছিল। পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়ে যিয়ারতের অনুমতি দেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)।[11] এ অনুমতি নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই ছিল বলে দাবি করেন তারা। বিতর্ক থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য উচিত হবে নারীদের কবর যিয়ারতে না যাওয়া। বিশেষ করে বর্তমান-যুগের সার্বিক পরিবেশ নারীর পক্ষে সহায়ক নয়। বরং ফিতনা ও অনিরাপত্তার আশঙ্কা দিন দিন আরো প্রকট আকার ধারণ করছে। তাই নারীদেরকে করব যিয়ারত হতে নিরুৎসাহিত করাই হবে উত্তম। আর অনুমতি প্রদানের হাদিসে নারীদেরকে শামিল করা হয়েছে কি-না, তার পক্ষে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নেই। কেননা নারীদের প্রতি নিষেধাজ্ঞা ‘লানত’ শব্দ দিয়ে এসেছিল।

তবে কি নারীরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রতি সালাম পেশ করবে না? হাঁ, অবশ্যই করবে। তবে তা কবরে গিয়ে নয়। যে কোনো জায়গা থেকেই করা যায়। হাদিসে এসেছে, ‘তোমাদের ঘর-বাড়ি কবরে পরিণত করো না। আর আমার কবরকে উৎসবে পরিণত করো না। আমার জন্য তোমরা দরুদ পাঠ করো। তোমাদের দরুদ আমার কাছে পৌঁছে, তোমরা যেখানেই থাকো না কেন।[12]


আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।

[1] - দেখুন : ফাতাওয়া ইবনু তাইমিয়াহ :২৪/৩৫৮ এবং ২৭/১৬-১৭

[2] - আল ফাতাওয়া : ২৭/৩৮৬

[3] - রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দোয়া করে বলেছেন, হে আল্লাহ ! আমার কবরকে আপনি পূজার মূর্তিতে পরিণত করবেন না।

[4] - ইবনে কুদামা : আল মুগনি, ৩/৫৫৯

[5] - সূরা গাফের : ৬০

[6] - সূরাতুল আরাফ : ১৮৮

[7] - সূরা আল জিন্ন : ২১

[8] - শুয়ারা : ২১৪

[9] - إذا مات ابن آدم انقطع عمله (মুসলিম : ৪২২৩ )

[10] নিসা : আয়াত : ৬৪

[11] - كنت نهيتكم عن زيارة القبور ، فزوروها فإنها تزهد في الدنيا و تذكر بالآخرة . (ইবনে মাজাহ : ১৫৬০)

[12] - عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللهم عليه وسلم لا تجعلوا بيوتكم قبورا ولا تجعلوا قبري عيدا وصلوا علي فإن صلاتكم تبلغني حيث كنتم (আবু দাউদ : হাদিস নং ১৭৪৬


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-10

প্রশ্ন করেছেনঃ Muhammad Shakhauat Hossain, তারিখঃ 2014-05-10  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[617]

নামাজ পরার সময় রুকুর পূর্বে, রুকু থেকে সুজা হয়ে দাড়ানোর সময়, সিজদায় যাবার সময় একামতের(আল্লাহু আকবার)সময় দুই হাত কাধ পর্যন্ত না উঠালে নামাজ হবে কি না ? যারা হাত উঠায় না, তারা কুন হাদিসের ভিত্তিতে করে.

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সালাত হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ তবে সালাতটি পরিপূর্ণ রাসুল (সাঃ) এর তরীকায় হবে না এবং অনেক নেকী থেকেও বঞ্চিত হবে।  আর যারা এটি ফলো করেন না উনারা এই বিষয়ে কয়েকটি যঈফ হাদিসকে রেফারেন্স হিসাবে উল্লেখ করে থাকেন নিজেদের পক্ষে যা মোটেই উচিৎ নয়।  আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে রাসুল (সাঃ) এর সুন্নাতের অনুসরণ করার তাউফিক দান করুন। আমিন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-10

প্রশ্ন করেছেনঃ মুহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান, তারিখঃ 2014-05-10  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[616]

জনাব আস্সালামু আলাইকুম

আমার প্রশ্ন হলো চার রাকাত নামাজে তিন রাকাত শেষে বেসে পড়লে কেহ যদি পিচনের দিকে লোকমা বলে সুদরায় পরে ইমাম উঠে চার রাকাত বিনা সুহু ছিজদায় শেষ করার পর কেহ যদি পিচনের দিকে বলে সুহু ছিজদা হয় নাই নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে আবার কেহ কেহ বল্ল পুনরায় নামাজ আদায় করার দরকার নেই কারন সে জানেনা (নতুন ইমাম )আসলে কি করা দরকার

 

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম, এই ক্ষেত্রে ইমাম চতুর্থ রাকাত শেষে তাশাহুদ, দরুদ এবং দু'আ মাসুরা শেষ করার পর দুইটি সিজদায়ে সাহু দিবেন এবং অতঃপর সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করবেন। উল্লেখ্য যে আমাদের দেশে যেভাবে প্রচলিত সাহু সেজদা দেয়া হয় সেটা সম্পূর্ণ ভুল এবং হাদিসের বিপরীত।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-10

প্রশ্ন করেছেনঃ Muhammad, তারিখঃ 2014-05-10  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[615]

Tirmizi te bornito "Allah tar niamoter nidorson dekhte posondo koren"- a somporkito hadis te shohi ki na?

উত্তরঃ

আস-সালামু আলাইকুম, বিস্তারিত হাদিস নম্বর সহ না জানালে আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব হচ্ছে না বলে দুঃখিত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-06-27

প্রশ্ন করেছেনঃ smd biplab hassan, তারিখঃ 2014-05-10  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[614]

আস-সালামু ওলায়কুম ওরাহমাতুল্লাহ
 তালাক দেয়ার ৩/৪ মাস পর কি পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করা যাবে ? ওর এর মাঝে অন্য কথাও বিয়ে হয় নি ,
আশা করি উত্তর টি পাবো

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম, যদি তিন তালাক হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে উক্ত মহিলা যতক্ষণ পর্যন্ত না অন্য কোন পুরুষের সাথে বিবাহ করছে ততক্ষন পর্যন্ত তাঁর সাথে পুনরায় বিবাহ আপনার জন্য হারাম এবং উক্ত মহিলা নতুন স্বামীর সাথে স্বাভাবিক বিবাহিত জীবনযাপন করার পর যদি উক্ত স্বামী মারা যায় বা উক্ত নতুন স্বামী ইচ্ছাকৃত ভাবে তাকে তালাক দেয় তখন তাঁর সাথে পুনরায় বিবাহ করতে পারবেন নতুবা নয়। তবে আমাদের দেশে যে হিল্লা বিয়ের প্রচলন আছে তা সম্পূর্ণ রুপে হারাম।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-11

প্রশ্ন করেছেনঃ ZAHID, তারিখঃ 2014-05-09  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[613]

ভাই আমি একজন কলেজ ছাত্র । আমাদের ক্লাস চলে ৮-০০ থেকে ০৪-০০। শুধু ১১-১১.৩০ ছাড়া কোন বন্ধ নাই ।এমতবস্তায় আমি যোহর নামাযের সুযোগ তাও পাই না। তাই ক্লাস শেষ হলেই আমি সাথে সাথে বাসাই  গিয়ে একা একা নামাজ পরি এত দেরিতে নামাজ পরলে কি নামাজ হবে কিনা? আল্লাহ সবাইকে মাফ করুক!!! আমীন

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। যদি আপনি একান্ত অপারগ হয়ে থাকেন তাহলে আল্লাহ্‌ মাফ করবেন ইনশাল্লাহ তবে এই ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আপনার গভীর চিন্তা করার দরকার আছে যেহেতু সেখানে সালাতের জন্য কোন সময় দেয়া হয় না এবং এসব ক্ষেত্রে উলামাগন এই ধরনের প্রতিষ্ঠান থেকে ফিরে যেতে নির্দেশ দিয়ে থাকেন কেননা আল্লাহর হক হচ্ছে সর্বপ্রথম বিষয়। আর আপনি এই দেরীর জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি তাওবা করবেন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-11

প্রশ্ন করেছেনঃ zahid, তারিখঃ 2014-05-09  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[612]

আসসালামুয়ালাইকুম ভাই,আমার কয়েকটা প্রশ্ন ছিল আপনাদের কাছে আশা করি উত্তর পাব

১। নামাজ এ এসে ইমাম কে সেজদাই পেলে কিভাবে নামাজ শুরু করব?
২। বিপদ দূর হয়ে গেলে কিছু টাকা মিসকিনকে দেওয়া বৈধ কি না?
৩। নামায পরার সময় কি চিন্তা করা যাবে আর কি করা যাবে না?

আপনাদের এ সহজগিতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। যাযাকাল্লাহু খাইরান।আল্লাহ সবাইকে জান্নাত এ প্রবেশ করাক আমীন!

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম,

১। আপনি কাতারে দাড়িয়ে আল্লাহু আকবর (তাকবীরে তাহরিমা) বলে ইমাম যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থায় চলে যাবেন, যদি দেখেন ইমাম সেজদাতে আছে তাহলে আপনি সরাসরি সেজদাতে চলে যাবেন (কোন রুকু করবেন না), কেননা ইমামকে যে অবস্থায় পাওয়া যাবে সেই অবস্থায় আপনি তাকে অনুসরণ করবেন। পরে ইমাম উভয় দিকে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করলে আপনি উঠে দাড়িয়ে আপনার ছুটে যাওয়া রাকাতগুলি আদায় করবেন।

২। দান খয়রাত যে কোন সময় করা যায় এবং তা উত্তম, বিপদ আসুক বা না আসুক বিবেচ্য নয়। আর বিপদ কেটে গেলে বরং বেশি বেশি আল্লাহর প্রশংসা করা, দান করা ইত্যাদি খুবই উত্তম কাজ।

৩। সালাত আদায় করার সময় আমি কি সূরা, কিরাত, দুয়া ইত্যাদি পড়ছেন সেটার বাংলা অর্থ অনুধাবন করার চেষ্টা করুন তাহলে দেখবেন বাইরেই কোন ফালতু চিন্তা আপনার মাথার মধ্যে আসছে না, আর যদি চলে আসে তাহলে আউজুবিল্লাহ... পড়ুন। আপনি সালাতে দাড়িয়ে ভাববেন এখন আপনি আল্লাহর সামনে দাড়িয়ে আছেন, যদিও আপনি দেখতে পারছেন না কিন্তু তিনি আপনাকে দেখেছন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-09

প্রশ্ন করেছেনঃ Sayed Mizan, তারিখঃ 2014-05-06  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[610]

আসসালামু-আলাইকুম!

প্রশ্ন-:

১/ আমি ঘুম যেতে রাত ১টা বেঝে যায়, তখন কি তাহাজ্জুত পড়ে ঘুমাইতে পারব?

২/ অনেক সময় দেখা যায় বাসে করে ওমরাহ যাওয়ার সময় বাস আগে মদীনায় চলে যায়, মদীনা থেকে অল্প কিছু দূর থেকে ইহরাম বাঁধতে হয়, মদীনা থেকে মক্কায় যেতে ৪-৫ ঘন্টা লাগে, এত সময় ওযু রাখা সম্ভব হয়না,মক্কায় গিয়ে কি ওযু করে ওমরাহ শুরু করতে পারব, নাকি মীকাত থেকে এক ওযু বা গোসল দিয়ে করতে হবে? এবং মদীনা থেকে মক্কায় যাওয়ার সময় সারা পথে তলবিয়া পাঠ করতে হবে?

৩/ রমজান মাসে ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে রোজা রাখতে পারব কি?

৪/ নামাযের সালাম ফিরানোর পূর্বে একাদিক দোয়া কি করা যাবে?

 

উত্তরঃ

ওয়া'আলায়কুম আস-সালাম ওয়া-রহমাতুল্লাহি ওয়া-বারাকাতুহু।

১। আপনি ঘুম যাবার আগে ক্বিয়ামুল্লাইল করে অর্থাৎ রাতের কিছু নফল আদায় করে ঘুমাতে পারেন। এটা আপনার জন্য রাতের ক্বিয়াম হিসেবে গণ্য হবে। তবে এটাকে তাহাজ্জুদ বলা হবে না। কারণ তাহাজ্জুদ হচ্ছে সে সলাত রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়া হয়।

২। ইহরাম আপনাকে মীকাত থেকেই বাঁধতে হবে, অযু বা গোসল করে। এরপর যদি অযু ছুটে যায় তখন আবার অযু করবেন। নতুন করে আবার মীকাতে গিয়ে ওযু করতে হবে না। আপনি মীকাত থেকে তালবিয়া পড়া শুরু করবেন।

৩। আপনার পক্ষে সম্ভব হলে রাখবেন না হলে রাখবেন না। কারণ সফরের রোজার ক্ষেত্রে আপনাকে অপশন দেয়া হয়েছে।

৪। জী, সালাম ফেরানোর পূর্বে দু'আ করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে মাসনূন দু'আ করাই উত্তম।


উত্তর দিয়েছেনঃ আবূসামীহাহ সিরাজুল ইসলাম | তারিখঃ 2014-06-15

প্রশ্ন করেছেনঃ zahid, তারিখঃ 2014-05-06  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[608]

আমাদের বাংলাদেশ এ আসর এর নামায ওয়াক্ত হওয়ার ১ ঘণ্টা দেরি করে পড়ায় কিন্তু সৌদি আরব এ এর বেতিক্রম এখন আমি যদি বাসায় একা পড়ি ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে তাহলে কোনো সমস্যা হবে কিনা নাকি মসজিদ এ যেয়ে ১ ঘণ্টা দেরির নামায পরব?

২য় প্রশ্ন- আমাদের কলেজ শেষ হয় ৪-০০ বাজে মাঝখানে যোহর নামাযের সময় ও পাওয়া যাই না আমি বাসাই এসে সাথে সাথে পরার চেষ্টা করি আমার নামাজ হবে কি না?

আপনাদের আল্লাহ পুরস্কৃত করবেন ইন শা আল্লাহ

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহ ওয়াস-সলাতু ওয়াস-সালামু আলা রসূলিল্লাহ ওয়া বা'দ।

আসরের ওয়াক্ত যখনই হোক আপনি আপনার এলাকার মসজিদের জামা'আত ত্যাগ করবেন না। মুসলিমদের জামা'আত ত্যাগ করা গর্হিত কাজ। ওয়াক্ত হয়ে গেলে সলাত আদায় করে নিলে সালাত আদায় হয়ে যাবে; কিন্তু আপনি জামা'আতের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবেন।

আপনাকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে ওয়াক্ত মত সলাত আদায় করতে। যদি আওয়াল [প্রথম] ওয়াক্তে সলাত আদায় করতে কোনভাবেই সক্ষম না হন, তাহলে ওয়াক্ত শেষ হবার আগে অবশ্যই আদায় করে নেবেন।

আল্লাহ আপনার সহায় হোন। আমীন!


উত্তর দিয়েছেনঃ আবূসামীহাহ সিরাজুল ইসলাম | তারিখঃ 2014-06-12

প্রশ্ন করেছেনঃ মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন, তারিখঃ 2014-05-06  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[607]

আসসালামু আলাইকুম

প্রশ্নঃ আমাদের ক্যাম্পে অনেক সময় ফজরের ফরজ নামাযের সময় (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ২য় রাকাতে) ইমাম রুকু থেকে উঠে হাত তুলে দোয়া করে। সেই সময় জামাতে শরিক হওয়া প্রত্যেকেই ইমামের সাথে হাত তুলে দোয়া করে। এই সম্মিলিত হাত তুলে দোয়া করাটা জায়েজ কিনা??

 

প্রশ্নঃ আবুধাবীতে  জুমআর খুতবার দ্বিতীয় অংশে খুতবা শেষ করার আগে ইমাম দোয়া করেন। তখন অনেকেই সমস্বরে আমিন বলে থাকেন। অনেকেই মুনাজাত তুলেন। এখানে কোনটি জায়েজ হবে? সম্মিলিত হাত তোলাটা না শুধু আমিন বলাটা???

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম।

১। ফজরের ফরজ সালাতের দ্বিতীয় রাকাতে রাসুল (সাঃ) বহু সময় হাত তুলে সম্মিলিত দু'আ করেছেন বিশেষ প্রয়োজনে এবং এটা দু'আ কুনুত এবং এটা সুন্নাহ সম্মত।

২। জুম্মার খুৎবায় ইমাম যখন দু'আ করবেন তখন মুক্তাদিগন আমিন আমিন বলবেন শুধু, হাত তুলে নয়।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-10


PAGE: 14 OF 15 /মোট 142 টি প্রশ্নোত্তর
প্রতি পাতাতে টি প্রশ্নোত্তর


COPYRIGHT

2013-2016 Bangla Hadith, All rights reserved.
Developed & Maintain by: Rokon-ul-Haque

Privacy Policy: Click to read the Privacy Policy

DONATION

বাংলা হাদিসের প্রজেক্ট সমূহকে সহযোগিতা করুন। এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত, আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইনশাল্লাহ।

CONTACT US

ROKON-UL-HAQUE
info@hadithbd.com
+880 1714110630
https://www.facebook.com/hadithbd
https://www.youtube.com/c/hadithbdTube

VISITOR'S COUNTER

73 জন অনলাইনে আছেন
2,022 জন আজকের ভিজিটর
1,425,990 জন সর্বমোট ভিজিটর
16,592,533 বার সর্বমোট পেজ হিট

Fatal error: Cannot redeclare EPCNTR_Go_Error() (previously declared in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php:614) in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php on line 637