Google Play

Google App Google Play

উত্তরদাতা অনুসারে সার্চ করুন কি-ওয়ার্ড সার্চ
হুবুহু সার্চ

প্রশ্ন করেছেনঃ sohel rana, তারিখঃ 2014-05-22  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[660]

jora amin bola kano?asta amin bolla ki kono somossa aca ki na?bangladesa to asta ammin bola

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। যেখানে ইমাম উচ্চস্বরে কিরাত করবে সেখানে সূরা ফাতিহা পড়ার পর জোরে আমিন বলা এটাই রাসুল (সাঃ) এবং সাহাবাদের আমল থেকে প্রমানিত। কেউ যদি সেটা অনুসরন না করে তাহলে সে রাসুল (সাঃ) এর পরিপূর্ণ অনুসরণ করল না।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-23

প্রশ্ন করেছেনঃ Muhammad abu faij forhad, তারিখঃ 2014-05-22  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[659]

EXIM BANK ..এইটা তো ইসলামিক ব্যাংক ... আমি যদি ৫ লাখ টাকা LOAN নিয়ে বেবশা তে কাজে লাগাই তাহলে কি হারাম হবে ...???

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। যদি সূদের কোন বিষয় সেখানে না থাকে তাহলে কোন সমস্যা নেই ইনশাল্লাহ। ব্যাংক কীভাবে আপনাকে টাকাটা দিবে সেটাই বিষয়, সাধারণত আমাদের জানা মতে ইসলামী ব্যাংকিংএ সরাসরি টাকা দেবার কথা নয় বরং ব্যবসার মালামাল কিনে দেবার কথা।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-23

প্রশ্ন করেছেনঃ Shahnaz Begum, তারিখঃ 2014-05-22  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[658]

আচ্চালাম আলাইকুম । নফল রোজা মাসে এবং সপ্তাহে কোন কোন বারে রাখতে পারে তার কিছু বিধান আছে কি ? সোমবার বা বৃহস্পত বারে রাখতে পারে কি না ?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। রাসুল (সাঃ) এর আমল থেকে প্রমানিত যে তিনি সোমবার এবং বৃহস্পতিবার নফল রোজা রাখতেন তবে যে সমস্ত দিনে নফল রোজা করা নিষেধ সেদিন করতেন না যদিও তা সোমবার বা বৃহস্পতিবার হত।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-23

প্রশ্ন করেছেনঃ সাইদ হাঁসান, তারিখঃ 2014-05-21  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[657]

একটা ছেলে যদি একটা মেয়েকে ভালভাসে তাহলে তা ইসলামের দৃষ্টিতে কি? যদি তাদের অভিবাভক রাজি থাকে। আমার উত্তর টা তারাতারি দিবেন

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। বিবাহ পূর্ব প্রেম বা ভালোবাসা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। আর এসব ক্ষেত্রে যদি অবিভাবক ইন্ধন দিয়ে থাকেন তাহলে উক্ত অবিভাবকও এই হারাম কাজে সম্পৃক্ত বলে গণ্য হবেন। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে এই হারাম থেকে বাঁচিয়ে রাখুন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-22

প্রশ্ন করেছেনঃ sayeda aliza mamtaz, তারিখঃ 2014-05-21  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[655]

ইসলামে সহবাসের কোন নিষিদ্ধ সময় আছে কি? সে গুলো কি কি? উত্তম সময় কখন ও কি কি বার?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। জি সহবাসের নিষিদ্ধ সময় বা দিনগুলি হচ্ছে মেয়েদের ঋতু চলাকালীন অবস্থায়, রমযান মাসে দিনের বেলা, ইতিকাফরত অবস্থায়, হজ্জের বা উমারার ইহরাম করে থাকলে তখন স্ত্রী সহবাস নিষিদ্ধ।

এছাড়া আলাদা কোন দিন বা সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই বরং এসব নিয়ে অনেক কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে যে অমুক দিন, অমুক সময় সহবাস করা যাবে না ইত্যাদি যা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-22

প্রশ্ন করেছেনঃ Md. Ikramul Hussain, তারিখঃ 2014-05-21  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[654]

আচ্ছালাম আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু । আমাকে একজন বলল যে চার-রাকাত ছালাতের শেষ বৈঠকে বাম পাও দান পায়ের নিছে নিয়ে নিতম্ব দিয়ে বসতে হয়, দুই রাকাতে এরকম বসতে  লাগেনা, কথা তা কি ঠিক ?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনাকে যিনি এটা বলেছেন তিনি ঠিকই বলেছেন এবং রাসুল (সাঃ) সালাতে এভাবেই বসতেন। বিস্তারিত দেখতে পারেন এখানে

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-22

প্রশ্ন করেছেনঃ Md. Ikramul Hussain, তারিখঃ 2014-05-21  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[653]

আমি একজন সরকারী কর্ম্মচারী । আমাদের বেতন বেংকে আমার একাউন্টে জমা হয় । এই বেতনে বেংক থেকে সূত জমা হয় । সুত সহ আমার টাকা হালাল হবে কি না ? হাদীছের উল্লেখ করি জানালে আমার সুবিধা হয় ।

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুদ কোন অবস্থাতেই হালাল নয় বরং তা সব সময় হারাম। আপনি যা করবেন সেটা হচ্ছে আপনি সুদসহ আপনার বেতনের টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিবেন এবং এরপর সূদের টাকা আলাদা করে কোন গরিব, মিসকিন বা জনকল্যাণ কাজে সেটা দিয়ে দিবেন তবে সওয়াবের আশা ব্যাতিত।
 

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-22

প্রশ্ন করেছেনঃ mohammad wahidur rahman, তারিখঃ 2014-05-21  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[652]

জনাব আস্সালামু আলাইকুম

প্রশ্ন হলো আমি বিদেশে থাকা অবস্থায় আমার আব্বা মারাযান 6 মাস পরে আমি দেশে ফিরে আসি এই সময় আমি আমার আব্বার জানাযা আদায় করতে পারব কিনা পারলে কি ভাবে আদায় করব কবরের পার্শে দাড়িয়ে নাকি কবরস্থান এর বাহিরে দাড়িয়ে আর মৃত ব্যক্তির দাফনের পরে ইমাম সাহেব কবরে  আঙ্গুল রেখে  মৃতকে ফেরেশ্তাদের প্রশ্নের জবাব শিখিয়ে দিয়ে থাকেন আসলে এতে মৃতের নাজাত হবে কি

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। ৬ মাস পর এসে জানাজা আদায় করার কোন বিধান আমাদের জানা নেই। নিশ্চয় আপনার পিতা মারা যাবার পর জানাজা আদায় করা হয়েছিল বলেই আমরা বিশ্বাস করি। আপনি আপনার পিতার কবরের কাছে গিয়ে তাঁর উদ্দেশ্যে সালাম পেশ করবেন যেভাবে রাসুল (সাঃ) আমাদেরকে শিখিয়েছেন এর অতিরিক্ত কিছু নয়। এখানে কোন সূরা পাঠ বা হাত তুলে দু'আ করা এই ধরনের কোন বিধান নেই বরং আপনি যে কোন সময় যে কোন অবস্থায় আপনার পিতার জন্য দুয়া করতে পারেন, দান খয়রাত করতে পারেন, তাঁর জন্য হজ্জ বা উমরা করতে পারেন। আর মৃত দাফনের পর কবরে আঙুল রেখে ফিরিশতাদের প্রশ্নের জবাব শিখিয়ে দেয়া বা এই ধরনের কাজ সম্পূর্ণ বিদআত এবং তা শরিয়ত বহির্ভূত।  জানাজা সংক্রান্ত বিষয়ে আরও জানতে দেখুন এখানে

মৃত ব্যাক্তি যদি নেককার হয়ে থাকেন তাহলে তিনি কবরে জবাব দিতে পারবেন আর বদকার হলে পারবে না এবং এই জবাব দেয়ার জন্য দুনিয়ার মানুষের কোন হাত নেই বরং করনীয় এই যে তাঁর জন্য বেশি বেশি দু'আ করা আল্লাহর কাছে যে তিনি যেন তাঁর কবরের এই পরীক্ষাকে সহজ করে দেন। আল্লাহ্‌ আমাদের সকলকে বিদআত থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-22

প্রশ্ন করেছেনঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, তারিখঃ 2014-05-20  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[650]

আসসালাম ওয়ালাইকুম,

আমার প্রশ্ন হলঃ

১। নামাজে হাত বাধার সঠিক নিয়ম কোনটি? কেউ কব্জির উপর ধরে, আবার কেউ কেউ বাহুর কাছে ধরে, কেন?

২। নামাজে রুকুর পরে ২ হাত আবার কাধ পর্যন্ত উঠানোর ক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা আছে কি না? কারা এই কাজ করে? এবং কেন?

ধন্যবাদ।

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস- সালাম।

১। হাত বাঁধার জন্য নাভির উপরিভাগ থেকে বুকের উপর পর্যন্ত যে কোন জায়গায় আপনি হাত বাধতে পারেন, তবে বুকের উপর বাধায় সবচেয়ে সহিহ আর এতে কব্জিও ধরতে পারেন আবার বাহুও ধরতে পারেন কোন বাধ্যবাধকতা নেই ইনশাল্লাহ। তবে নাভির নিচে হাত বাধবেন না কেননা এই সংক্রান্ত যে হাদিস আছে তা সহিহ নয়।

২। রুকুতে যাবার আগে এবং রুকু থেকে উঠার সময় ২ হাত কাঁধ বরাবর উঠানো রাসুল (সাঃ) এর সহিহ হাদিস থেকে প্রমানিত এবং একে রাফউল ইয়াদাইন বলা হয়। তাই আপনি যদি রাফউল ইয়াদাইন করেন তো সওয়াব লাভ করবেন নিঃসন্দেহে তবে আপনি যদি তা না করেন সালাত হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ তবে এই সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবেন এবং রাসুল (সাঃ) এর সালাতের পূর্ণ অনুসরণ করা হবে না।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-05-22

প্রশ্ন করেছেনঃ Md.Abdul Baten Siddiki, তারিখঃ 2014-05-19  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[643]

আসসালামুওালাইকুম

আমরা বসরে দুবার ধান চাষ করি, এমতয়াবস্তায় আমরা যাকাত কিভাবে দিবো নিয়মটা জানাবেন কি, জাকাত এবং ওসর এই

দুয়ের মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তরঃ

উত্তরঃ যে কোন সম্পদ শরীয়ত নির্ধারিত পরিমাণ হলে, নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর যে নির্ধারিত সম্পদ বের করা আবশ্যক হয়, তাকে যাকাত বলে। এটা স্বর্ণ-রৌপ্যতে হতে পারে, টাকা-পয়সায় হতে পারে, ফসলেও হতে পারে। কিন্তু ফসলের ক্ষেত্রে শর্ত সাপেক্ষে কিছু সম্পর্দে যাকাত আবশ্যক হয়, যাকে ফিকহের পরিভাষায় ওশর বা নেসফে ওশর বলে। (এক দশমাংশ বা এক দশমাংশের অর্ধেক বা দশভাগের একভাগ বা বিশভাগের একভাগ)

যমীন থেকে উৎপন্ন ফসলের যাকাতের শর্ত হচ্ছেঃ

(১) দানা জাতীয় শষ্য হতে হবে। যেমন, ধান, গম, সরিষা, কালাই, ভুট্টা, খেজুর, সিসমিস ইত্যাদি। সব্জিতে যাকাত নেই। (২) কোন প্রক্রিয়া ছাড়া সাধারণভাবে গুদামজাতযোগ্য হতে হবে। (৩) শষ্যের ক্ষেত্রে বছর অতিক্রম করা আবশ্যক নয়। যখনই ফসল উৎপন্ন হবে, ফসল কাটার দিনই যাকাত (ওশর) বের করা আবশ্যক। ঐ ফসল বছরে যে কয়বার হোক কোন অসুবিধা নেই। কেননা আল্লাহ বলেন, “ফসল কাটার দিন তার হক (যাকাত) আাদয় করে দাও।” (সূরা আনআমঃ ১৪১) 

এর নেসাব হচ্ছে ৫ ওসক পরিমাণ হওয়া। ১ ওসক হচ্ছে ৬০ সা’। এক সা’ প্রায় আড়াই কেজি। তথা মোট প্রায় 750কেজি। এর নীচে হলে যাকাত দিতে হবে না। রাসূল সাঃ বলেন, “পাঁচ ওসক পরিমাণের নীচে শষ্যে ও ফলমূলে যাকাত নেই।” (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)

ফসলের যাকাতের পরিমাণ হচ্ছেঃ

ফসল যদি বৃষ্টি বা ঝর্ণার পানি দ্বারা উৎপন্ন হয়, তবে যাকাত হিসেবে ওশর দিতে হবে। অর্থাৎ ঘরে উঠানোর পূর্বে একদশমাংশ যাকাত হিসেবে বের করতে হবে। কিন্তু যদি সেচের পানিতে উৎপন্ন হয়, তবে এক বিশমাংশ দিতে হবে। (বুখারী ও মুসলিম)

কিন্তু যদি উভয় প্রকারের পানি দ্বারা হয়ে থাকে, তবে যে পানি বেশী ব্যবহার করা হয়েছে সে অনুযায়ী যাকাত দিতে হবে।


উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল্লাহ আল কাফী | তারিখঃ 2014-05-19


PAGE: 12 OF 15 /মোট 142 টি প্রশ্নোত্তর
প্রতি পাতাতে টি প্রশ্নোত্তর


COPYRIGHT

2013-2016 Bangla Hadith, All rights reserved.
Developed & Maintain by: Rokon-ul-Haque

Privacy Policy: Click to read the Privacy Policy

DONATION

বাংলা হাদিসের প্রজেক্ট সমূহকে সহযোগিতা করুন। এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত, আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইনশাল্লাহ।

CONTACT US

ROKON-UL-HAQUE
info@hadithbd.com
+880 1714110630
https://www.facebook.com/hadithbd
https://www.youtube.com/c/hadithbdTube

VISITOR'S COUNTER

79 জন অনলাইনে আছেন
1,294 জন আজকের ভিজিটর
1,420,635 জন সর্বমোট ভিজিটর
16,540,641 বার সর্বমোট পেজ হিট

Fatal error: Cannot redeclare EPCNTR_Go_Error() (previously declared in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php:614) in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php on line 637