Google Play

Google App Google Play

উত্তরদাতা অনুসারে সার্চ করুন কি-ওয়ার্ড সার্চ
হুবুহু সার্চ

প্রশ্ন করেছেনঃ Tanvir Mehtab Sakib, তারিখঃ 2014-07-19  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[932]


আসসালামু আলাইকুম, আমি ছাত্র মানুষ। আমার কোনো আয় ইনকাম নাই।কিন্তু জমানো কিছু টাকা আছে। এখন আমার উপরকি ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব হবে?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। যেহেতু আপনার ফিতরা দেবার মত অবস্থা আছে তাই আপনি ফিতরা আদায় করবেন।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-22

প্রশ্ন করেছেনঃ Samrat, তারিখঃ 2014-07-18  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[930]

আসসালামু আলাইকুম , ধন্যবাদ , আপনার উত্তর এর জন্য।  আমার প্রশ্ন নম্বর ৯২৩। আমি জানতে চেয়ে ছিলাম তাবিজ আর পীর মানার বিসয়ে।  আপনি তাবিজ এর বেপারে বলেছেন কিন্তু পীর এর বেপারে কিছু  বলেন নাই।  দয়া করে জানাবে কি? যে এখন নামাজ পড়ায় সে আমাদের এ একজন কলিগ। 

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। তাবিজ যেমন শিরক তেমনি পীর ধরাও শিরক কেননা এই সমস্ত পীরেরা শিরক ব্যাতিত আর কোন কিছুই শেখায় না এবং সাথে সাথে মানুষের পকেটের টাকা পয়সাও তারা নিয়ে নেয়। কোন ব্যাক্তি, ওলি, বুজুর্গ কেউ কাউকে পরকালে পার করাতে পারবে না। আর যে ব্যাক্তি পীরের মুরিদ এবং সাথে সাথে তাবিজেও বিশ্বাস করে এই ধরনের ব্যাক্তির পিছনে সালাত আদায় করবেন না।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-19

প্রশ্ন করেছেনঃ Oyalieul , তারিখঃ 2014-07-17  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[925]

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। "বিবাহ পূর্ব প্রেম বা ভালোবাসা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। "-এ ধরণের একটি উত্তর দেয়া হয়েছিল প্রশ্নোত্তর 657 নং এ। প্রশ্ন হচ্ছে যে "ইউসুফ-জুলেখা যে একে অপরকে ভালবাসত এটা কি সত্যি নয়???" আর জান্নাতে নাকি তাদের বিবাহ সপন্ন হবে!!! এছাড়া আমি ডাঃ জাকির নায়েক - থেকে অবগত যে দ্বীনি মেয়েকে ভালবাসলে কোন সমস্যা নেই।।। আর আমি কি কোন বেপর্দা নারীকে ভাল নিয়তে (অর্থাৎ তাকে হিদায়াতে পথে নেয়া জন্য) ভালবাসতে পারবনা বা তার জন্য দোয়া করতে পারব না। আমার প্রশ্নটির বিস্তারিত উত্তর দিলে খুশি হব।।।

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আপনি ইউসুফ-জুলেখা বলে যে কাহিনীর কথা বলতে চাইছেন তা বানোয়াট এবং বরং তা ইউসুফ (আঃ) এর প্রতি অপবাদ, নাউজুবিল্লাহ। আর ডাঃ জাকির নায়েক কি বলেছেন সেটার পূর্ণ বিবরণ এবং রেফারেন্স আপনি উল্লেখ করেন নাই তাই তিনি আসলে কি বলেছেন সেটা না জেনে/বুঝে আমাদের পক্ষে কিছু বলা সম্ভব নয়। মুল কথা হচ্ছে বিবাহ পূর্ব যে কোন ধরনের প্রেম/ভালোবাসা ইত্যাদি হারাম, আর দু'আ আপনি যে কারো জন্যই করতে পারেন, দুয়া করতে কোন বাধা নেই।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই ভালো জানেন।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-17

প্রশ্ন করেছেনঃ Samrat, তারিখঃ 2014-07-16  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[923]

আমাদের অফিস এ আমরা জামাত এ সালাত আদায় করি।  যে ইমামমতি করেন সে যদি পীর মানে আর তাবিজ এ বিশ্সাস করে তাহলে কি ওই  বেক্তির পিছনে নামাজ পরা ঠিক হবে ? দয়া করে জানাবেন।  ধন্য বাদ। 

উত্তরঃ

উত্তরঃ 

কোন ব্যক্তি যদি ইসলাম বিরোধী এমন কাজ করে যা তাকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে। যেমন শিরক বা কুফরী, তবে এধরণের মানুষের পিছনে সালাত আদায় করা বিশুদ্ধ হবে না। 

কিন্তু যদি এমন অপরাধ করে যা সাধারণ বিদআত পর্যায়ের বা ছোট শিরক পর্যায়ের যেমন তাবিজ ব্যবহার, তবে এ ধরণের বিদআতীর পিছনে সালাত আদায় করা জায়েয। তাকে ইমাম  হিসেবে নিয়োগ দেয়া জায়েয নয়। কিন্তু ইমাম হয়ে গেলে তার পিছনে ইকতেদা করা জায়েয। কেননা সে বিদআতী হলেও মুসলিম। আর মুসলিমের পিছনে সালাত আদায় করা জায়েয। যেমন ইবনে ওমার রা.সহ অনেক সাহাবী হাজ্জাজ বিন ইউসুফেরমত জালেম অপরাধী খুনী লোকের পিছনে সালাত আদায় করেছেন। 


উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল্লাহ আল কাফী | তারিখঃ 2014-07-17

প্রশ্ন করেছেনঃ ইফতেখারুল ইসলাম, তারিখঃ 2014-07-16  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[922]

আসসালামু আলাইকুম
আমি সহিহ হাদিস মতে সালাত আদায় করি । তারাবীহ সালাত এর পর বিতর এর সালাত মসজিদ এ সহিহ হাদিস রুপে আদায় হয় না । এমতাবস্থায় বিতর এর সালাত ইমাম এর পেছনে পড়া সংগত হবে কিনা দয়া করে জানাবেন ... 

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনি বিতর বাসায় গিয়ে একাকী আদায় করতে পারেন।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-16

প্রশ্ন করেছেনঃ Oyalieul , তারিখঃ 2014-07-15  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[921]

জামাতে সলাত আদায় না করলে কি কি গুন্নাহ্ হবে???

উত্তরঃ

উত্তরঃ উলামাগণ একথার উপর একমত হয়েছেন যে, জামাআতে নামায আদায় করা শ্রেষ্ঠতম, গুরুত্বপূর্ণ ও সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। বিষয়টি আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনে উল্লেখ করেছেন এবং এমনকি ভীতির সময় জামাআতবদ্ধভাবে ছালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ্ বলেন, 
وَإِذَا كُنتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمْ الصَّلَاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِنْ وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُمْ مَيْلَةً وَاحِدَةً وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِنْ كَانَ بِكُمْ أَذًى مِنْ مَطَرٍ أَوْ كُنتُمْ مَرْضَى أَنْ تَضَعُوا أَسْلِحَتَكُمْ وَخُذُوا حِذْرَكُمْ إِنَّ اللَّهَ أَعَدَّ لِلْكَافِرِينَ عَذَابًا مُهِينًا
“আর যখন আপনি তাদের সাথে থাকেন আর তাদেরকে (জামাআতের সাথে) নামায পড়ান, তবে তা এইভাবে হবে যে, তাদের মধ্যে থেকে একদল আপনার সাথে নামাযে দাঁড়াবে এবং নিজেদের অস্ত্র-শস্ত্র সাথে রাখবে। অনন্তর যখন তারা সিজদা করবে (এক রাকাআত পূর্ণ করবে), তখন তারা আপনাদের পিছনে চলে যাবে এবং অন্য দল যারা এখনও নামায পড়েনি তারা আসবে এবং আপনার সাথে নামায (অবশিষ্ট এক রাকাআত) পড়ে নিবে। আর এরাও আত্মরক্ষার সরঞ্জাম ও নিজ নিজ অস্ত্র-শস্ত্র সাথে রাখবে। কাফেরগণ এটাই চায় যে, আপনারা যদি নিজ নিজ অস্ত্র-শস্ত্র ও দ্রব্যসম্ভার থেকে একটু অসতর্ক হন, তবে অমনি তারা একযোগে আপনাদের উপর আক্রমণ চালাবে। আর যদি বৃষ্টির দরুণ আপনাদের কষ্ট হয় অথবা আপনারা পীড়িত হন, তবে নিজেদের অস্ত্র-শস্ত্র খুলে রাখতে কোন পাপ হবে না। আর সতর্কতা অবলম্বনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নিয়ে রাখবেন। নিশ্চয় আল্লাহ্ কাফেরদের জন্য লাঞ্ছনাময় শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।” (সূরা নিসাঃ ১০২)
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সুন্নাতেও অসংখ্য হাদীছ রয়েছে, যা জামাআতের সাথে নামায আদায় করা ওয়াজিব প্রমাণিত করে। যেমন নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, 
لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ بِالصَّلَاةِ فَتُقَامَ ثُمَّ آمُرَ رَجُلًا فَيُصَلِّيَ بِالنَّاسِ ثُمَّ أَنْطَلِقَ مَعِي بِرِجَالٍ مَعَهُمْ حُزَمٌ مِنْ حَطَبٍ إِلَى قَوْمٍ لَا يَشْهَدُونَ الصَّلَاةَ فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتَهُمْ بِالنَّارِ
“নিশ্চয় আমি ইচ্ছা করছি, নামাযের আদেশ দিব, নামায কায়েম করা হবে। তারপর এক ব্যক্তিকে আদেশ দিব সে লোকদের নিয়ে নামায আদায় করবে। অতঃপর কাঠের বোঝা বহনকারী কিছু লোক নিয়ে আমি বের হব এমন লোকদের উদ্দেশ্যে যারা নামাযের জামাআতে উপস্থিত হয়নি। তারপর তাদেরকেসহ তাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দিব।”  
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেন, 
مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ فَلَمْ يَأْتِهِ فَلَا صَلَاةَ لَهُ إِلَّا مِنْ عُذْرٍ
“যে ব্যক্তি আযান শুনে তার জবাবে সাড়া দিয়ে আসবে না, ওযর ব্যতীত তার নামায হবে না।”  জনৈক অন্ধ ব্যক্তি নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর দরবারে এসে জামাআতে না যাওয়ার অনুমতি চাইলে তিনি তাকে বললেন, هَلْ تَسْمَعُ النِّدَاءَ بِالصَّلاةِ  “তুমি কি আযান ধ্বনি শুনে থাক?” সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, فَأَجِبْ “তবে অবশ্যই নামাযে হাজির হবে।”  
আবদুল্লাহ্ বিন মাসঊদ (রাঃ) বলেন, 
لَقَدْ رَأَيْتُنَا وَمَا يَتَخَلَّفُ عَنْهَا إِلَّا مُنَافِقٌ مَعْلُومُ النِّفَاقِ أو مريض، وَلَقَدْ كَانَ الرَّجُلُ يُؤْتَى بِهِ يُهَادَى بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ حَتَّى يُقَامَ فِي الصَّفِّ
‘আমরা দেখেছি সুস্পষ্ট মুনাফিক ও অসুস্থ ব্যক্তি ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্র (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছাহাবীগণ জামাআতের নামায থেকে পশ্চাতে থাকতেন না। আর অসুস্থ ব্যক্তিকে দু’জন ব্যক্তির কাঁধে ভর দিয়ে নিয়ে এসে কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হতো।’ 
সুস্থ দৃষ্টি ভঙ্গিও জামাআতের সাথে নামাযকে ওয়াজিব প্রমাণ করে। ইসলামী উম্মত এক দলভুক্ত জাতি। ইবাদতের একাত্মতা ব্যতীত অন্য কোন মাধ্যমে একতাবদ্ধ হওয়া সম্ভব নয়। আর ইবাদত সমূহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ, সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ ও শ্রেষ্ঠতম ইবাদত হচ্ছে ছালাত। তাই মুসলিম জাতির উপর আবশ্যক হচ্ছে, এই ইবাদত আদায় করার সময় তারা একতাবদ্ধ হবে।
বিদ্বানগণ ঐকমত্য হয়েছেন যে, জামাআতবদ্ধ নামায শ্রেষ্ঠ, গুরুত্বপূর্ণ ও সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। কিন্তু তারা মতবিরোধ করেছেন- নামায বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য জামাআতবদ্ধ হওয়া কি শর্ত? নাকি একাকী নামায পড়লে নামায হয়ে যাবে, কিন্তু জামাআতের সাথে না পড়ার কারণে সে গুনাহগার হবে?
সঠিক কথা হচ্ছে- জামাআতের সাথে নামায আদায় করা ওয়াজিব। নামায বিশুদ্ধ হওয়ার শর্ত নয়। তাই শরীয়ত সম্মত কোন কারণ বা ওযর ব্যতিরেকে জামাআত পরিত্যাগ করলে গুনাহগার হবে। একথার দলীল হচ্ছে- রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাকী নামায পড়ার চাইতে জামআতবদ্ধ নামাযকে অধিক মর্যাদাপূর্ণ আখ্যা দিয়েছেন।  একথার অর্থ হচ্ছে একাকী নামায আদায় করলে যদি বিশুদ্ধ না হতো, তবে তার চাইতে জামআতবদ্ধ নামাযকে প্রাধান্য দেয়া হতো না।
মোটকথা প্রত্যেক মুসলিম, বিবেকবান প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের উপর ওয়াজিব হচ্ছে জামাআতের সাথে নামাযে হাযির হওয়া। চাই সে বাড়িতে অবস্থান করুক বা সফরে থাকুক।

এই ফতোয়া দিয়েছেন শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উছামীন। দ্রঃ ফতোয়া আরকানুল ইসলাম ২৯৬ নং প্রশ্নের উপর।

 


উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল্লাহ আল কাফী | তারিখঃ 2014-07-16

প্রশ্ন করেছেনঃ ikramul hussain, তারিখঃ 2014-07-15  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[920]

আচ্চালামু আলাইকুম । শ্বরীয়াত মতাবিক বত্সরে খরছ করার পর সারে সাত তোলা সোনা বা তার সমমূল্য পরিমানে টাকা থাকলে  যাকাত দেওয়া ওয়াজিব । আমার প্রশ্ন হ'ল' - কোন এক লোকের আট তোলা পরিমানের সোনা থাকলে, সে আদ তোলার যাকাত দিতে হবে, না আট তোলার যাকাত দিতে হবে ? দয়া করি জানালে আমার মত অনেক লোকের যাকাত দেওয়া সঠিক হবে ।   

উত্তরঃ

উত্তরঃ সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা তার সমপরিমাণ অর্থ একবছর জমা না থাকলে তাতে যাকাত আবশ্যক হয় না।  আর এই পরিমাণ স্বর্ণ বা তার চেয়ে বেশী হলে অথবা তার মূল্য পরিমাণ অর্থ জমা হলে এবং একবছর অতিবাহিত হলে সম্পূর্ণ স্বর্ণের দাম (বিক্রয় মূল্য) হিসেব করে তাতে আড়াই শতাংশ হারে যাকাত দিতে হবে। শুধু সাড়ে সাতের উপরেরটুকুতে নয়।

আল্লাহ সবাইকে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো বুঝার তাওফীক দিন।


উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল্লাহ আল কাফী | তারিখঃ 2014-07-16

প্রশ্ন করেছেনঃ Riyaz Mullick, তারিখঃ 2014-07-15  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[919]

হাত চালা কি জায়েজ আছে, বিস্তারিত জানতে চাই ?

উত্তরঃ

হাত চালানো হাদীছ কর্তৃক নিষিদ্ধ গণনার অন্তর্ভুক্ত। কেননা তার মাধ্যমে গায়েবী বিষয় জানা ও সংবাদ দেয়ার দাবী করা হয়ে থাকে। আর নবী সা. বলেন, “যে ব্যক্তি কোন গণক ও জ্যোতিষীর নিকট গিয়ে কোন কিছু জিজ্ঞেস করবে, তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না।” (মুসলিম)

অন্য বর্ণণায় আছে, “যে ব্যক্তি কোন গণক ও জ্যোতিষীর নিকট গিয়ে কোন কিছু জিজ্ঞেস করবে, অতঃপর তারা যা বলবে তা বিশ্বাস করবে, সে মুহাম্মাদ সা.এর নিকট নাযিলকৃত দ্বীনের সাথে কুফরী করবে। (মুসনাদে আহমাদ)

আল্লাহ সঠিক জ্ঞান রাখেন। 


উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল্লাহ আল কাফী | তারিখঃ 2014-07-16

প্রশ্ন করেছেনঃ Shaikh Rajib, তারিখঃ 2014-07-14  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[916]

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহামাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমার প্রশ্নটি হচ্ছে ;

Foroz, Mogrib Ar Asha Ta 2 rakat Namaz Ta Emmam Awaz Kora Pora ,Kintu Johar o Ashora Puro Namaz Ta Silent Kora Hoya Thaka, Kano ? ? ?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। কেন জোরে এবং আস্তে কিরাত করা হয় এর কোন ব্যাখ্যা রাসুল (সাঃ) বলেন নাই বলেই আমরা জানি। যেভাবে তিনি আমাদেরকে দেখিয়ে গিয়েছেন সেভাবেই আমরা আদায় করব।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-15

প্রশ্ন করেছেনঃ ছাদিকুল হক, তারিখঃ 2014-07-12  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[915]

আচ্ছালামু আলাইকুম,

যদি কেউ একে সময়ে তিন ত্বালাক দিয়ে দেয় তাহলে কি এক ত্বালাক হবে না তিন ত্বালাক হবে ? দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন কোরআন এবং হাদিসের সাহায্য....

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। তিন তালাক দিতে হলে তিনটি মাসে দিতে হবে (তিনটি পিরিয়ড) এবং একসাথে তিন তালাক কেউ দিলে সেটা এক তালাক বলে গন্য হবে।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-15


PAGE: 2 OF 15 /মোট 142 টি প্রশ্নোত্তর
প্রতি পাতাতে টি প্রশ্নোত্তর


COPYRIGHT

2013-2016 Bangla Hadith, All rights reserved.
Developed & Maintain by: Rokon-ul-Haque

Privacy Policy: Click to read the Privacy Policy

DONATION

বাংলা হাদিসের প্রজেক্ট সমূহকে সহযোগিতা করুন। এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত, আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইনশাল্লাহ।

CONTACT US

ROKON-UL-HAQUE
info@hadithbd.com
+880 1714110630
https://www.facebook.com/hadithbd
https://www.youtube.com/c/hadithbdTube

VISITOR'S COUNTER

52 জন অনলাইনে আছেন
1,894 জন আজকের ভিজিটর
1,412,239 জন সর্বমোট ভিজিটর
16,475,381 বার সর্বমোট পেজ হিট

Fatal error: Cannot redeclare EPCNTR_Go_Error() (previously declared in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php:614) in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php on line 637