Google Play

Google App Google Play

উত্তরদাতা অনুসারে সার্চ করুন কি-ওয়ার্ড সার্চ
হুবুহু সার্চ

প্রশ্ন করেছেনঃ সারোয়ার কামাল, তারিখঃ 2014-08-14  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[1004]

অনেকে দেখেছি কোনো বিধরমী মারা গেলে আর আই পি বা রেস্ট ইন পিস লিখে এরকম লেখা কি সঠিক আছে ? এ বিষয়ে একটু বিস্তারিত বললে ভাল হয়।

উত্তরঃ

আস-সালামু আলাইকুম। এগুলি বিধর্মীদের কাজ এবং এই ধরনের কোন কিছু লেখার অনুমতি ইসলামী শরিয়তে নেই। কোন মুসলিম মারা গেলে তার জন্য দু'আ করবেন, দান খয়রাত করবেন ইত্যাদি এবং এটাই শরীয়তের অনুমোদিত কাজ।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-15

প্রশ্ন করেছেনঃ jahangir alam bhuyian, তারিখঃ 2014-08-14  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[1003]

আস-সালামু আলাইকুম, হারাম মিশ্রিত মুলধনে হালাল রোজগারের অর্থ কি হারাম হবে? যদি হারাম হয তাহলে হালাল করার উপায় কি?. 

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনি যদি হালাল খাবারের মধ্যে অল্প মদ ঢেলে দেন তাহলে ঐ সমস্ত খাবারই হারাম হয়ে যাবে ঠিক তেমনি আপনি হালাল মালের ভিতরে হারাম মিশ্রিত করলে সেটাও হারাম হয়ে যাবে। হালাল মাল থেকে হারামকে বাদ দিয়ে দিলেই তবে তা হালাল বলে বিবেচিত হবে।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-15

প্রশ্ন করেছেনঃ Md.Abul Kalam Dewan, তারিখঃ 2014-08-14  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[1001]

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহামাতুল্লাহি ওয়াবারাকুতুহু। অনেক আগের প্রশ্নটি আবার করছি।আমাদের দেশে মেয়েরা বেশির ভাগ পৈতৃক সম্পত্তি নিতে চায় না।প্রবাদ আছে সম্পত্তি নিলে অবনতি হয় ইত্যাদি।বোনেরা আর্থিক সচ্ছল এবং অসচ্ছল উভয় ক্ষেত্রেই যদি তাদের সন্তান থাকা সত্ত্বেও ভাইদেরকে পুরু অংশ দিয়ে দেয় তবে তা কি ইসলাম সম্মত হবে? অন্যটি হচ্ছে বাবা ও  চাচারা দাদার সম্পদের কিয়দংশ নিজেদের সংসারের তাগিদে বহু আগে বিক্রি করে খেয়ে ফেলেছে, বাবা নেই কাকা বেঁচে আছে এক্ষেত্রে কিভাবে তা পরিশুধ করলে ভাল হয়। মোট সম্পত্তির পরিমাণ খুবই সল্প তাই যা বাকি আছে তা দিয়ে ফুফুদের অংশ হয় না। কিভাবে শুধ করলে ভাল হয় জানানোর জন্য অনুরুধ করছি।

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। কথায় আছে যে নেয় অংশ সে হয় ধ্বংস। এই কথার কারণে বোনেরা ভাইদের কাছ থেকে ওয়ারিছ নিতে ভয় পায়। আসলে এই প্রচলিত প্রবাদ বাক্যটি সম্পূর্ণ প্রভাবহীন। আল্লাহ তাআলা কুরআনে মৃত ব্যক্তির সম্পদ ভাগ করে দিয়েছেন। সেই ভাগ অনুযায়ী নিজ নিজ সম্পদ বুঝে নিবে। বোনদেরকে মাহরুম করা বা ঠকানো কবীরা গুনাহ। বোনেরা অভাবী হলে ভাইদের উচিত তারা না নেওয়ার অভিমান করলেও তাদের হক বুঝিয়ে দেয়া। আর তারা স্বচ্ছল হওয়ার কারণে যদি স্বেচ্চায় ভাইদের জন্য সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক সম্পদ ছেড়ে দেয় তাতে কোন অসুবিধা নেই। আল্লাহই ভাল জানেন। বাকি প্রশ্ন পরিষ্কার নয়।

উত্তরটি দিয়েছেন আবদুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-15

প্রশ্ন করেছেনঃ Mimi Hossain, তারিখঃ 2014-08-14  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[999]

আত্নীয়তার শম্পর্ক ছিন্ন বলতে কি বুঝায়?
আমার আত্নীয় যদি আমার জীবনের হুমকি দাড়ায় এবং সংসারে আশান্তি সৃষ্টির মূল হয়, তাহলে কি যোগাযোগ বিছিন্ন করে থাকতে পারব? আমার স্বামী বলেছে নতুন করে যোগাযোগের ফলে যদি আশান্তি সৃষ্টি হয় তাহলে আমার সাথে সংসার করা সম্ভব নাও হতে পারে. আমি কি যোগাযোগ বিছিন্ন করে থাকতে পারব?

উত্তরঃ

আস-সালামু আলাইকুম। আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত বিবরন নেই যার কারনে বিষয়টি আমাদের নিকট পরিষ্কার নয়। পরিষ্কার বিবরন দিয়ে লিখলে আমরা চেষ্টা করতে পারি উত্তর দেবার ইনশাল্লাহ। তবে আপাত দৃষ্টিতে আপনার স্বামীর কথা অনুসারে চলাটাই উচিৎ বলে আমরা মনে করি কেননা আপনি বলেছেন জীবনের হুমকী, সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-15

প্রশ্ন করেছেনঃ Md. Rashedul haque, তারিখঃ 2014-08-08  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[980]

আমি একটি কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেড এ ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে চাকুরী করতেছি। এখানে বিভিন্ন কোম্পানীর মাধ্যমে লোকজন তাবিজ-কবজ এর অর্ডার দেয়। এবং সেই কোম্পানী গুলো আমাদের কুরিয়ার ও পার্সেল সার্ভিসের মাধ্যমে সেগুলো তাদের গ্রাহক এর কাছে পৌছায়। এখানে আমার কিছুই করার নাই কারণ অন্যান্য পণ্যের মতো সেই পণ্যগুলো প্যাকেট করা থাকায় আমি দেখতে পারছি না (পণ্য গুলোর ব্যাপারে আমি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি)। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এখন আমার উপার্জিত টাকা হালাল হবে কি?

বিঃদ্রঃ এটি একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এবং গ্রাহকের কোনো অবৈধ মালামালের জন্য কুরিয়ার সার্ভিস দায়ী না। কারণ অধিকাংশ মালামাল প্যাকেট করা থাকে।

উত্তরঃ

আস-সালামু আলাইকুম। যেহেতু আপনাদের কাজ গ্রাহকের মালামাল পাঠানো এবং গ্রাহক কি পাঠাচ্ছে সেটা আপনি জানেন না তাই এখানে আপনার কোন দায়বদ্ধতা আছে বলে আমরা মনে করি না এবং আপনার উপার্জিত অর্থ হারাম হবার কোন কারন নেই। তবে যদি স্পষ্ট জানতে পারেন যে কেউ আপনাদের মাধ্যমে হারাম মালামাল পাঠাচ্ছে তাহলে তাদের উক্ত মাল পাঠাতে আপনারা সহযোগিতা করবেন না।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-08

প্রশ্ন করেছেনঃ তারিকুল হাসান, তারিখঃ 2014-08-05  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[972]

যদি রমজানের ৬ টি ফরজ রোজা কাজা থাকে।আর সাওয়াল মাসে ওই ৬ টি কাজা রোজা করি তাহলে কি ৬ টি নফল রোজা করারও সওয়াব পাওয়া যাবে? নাকি মোট কাজা রোজা সহ ১২টি রোজাই করতে হবে?

উত্তরঃ

আস-সালামু আলাইকুম। কাজা রোজা শেষ করলে আপনি আপনার আগের যে ফরজ ঘাটতি ছিল সেটা পুরন করলেন, এরপর অতিরিক্ত শাওয়ালের ৬ টি রোজা করলে এর যে ফজিলত আছে সেটা পাবেন ইনশাল্লাহ। কাজা ৬ টি রোজা না করলে আপনি গুনাহগার হবেন কিন্তু শাওয়ালের ৬ টি না করলে আপনি গুনাহগার হবেন না কিন্তু এর যে ফজিলত আছে তা থেকে বঞ্চিত হবেন। অর্থাৎ সম্পূর্ণ ফজিলত পেতে আপনাকে মোট ১২ টি রোজাই করতে হবে।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-07

প্রশ্ন করেছেনঃ Almas Hossain Mollah, তারিখঃ 2014-07-31  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[962]

আমি একজন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র ।আমি একটি সরকারি  স্কলার্সিপ নেয়ার জন্য অমার পরিবারের আয় কম দেখিয়ে আবেদন করেছি।এখন আমার মনে হচ্ছে আমি ঠিক করিনি ।স্কলার্সিপ এর পরিমান ১৫০০০।টাকা গুলো আমি কি করতে পারি?

উত্তরঃ

আস-সালামু আলাইকুম। এটা প্রতারনা হিসাবেই বিবেচিত হবে। আপনি এই টাকাগুলি গরিব কাউকে, বা দ্বীন ইসলামের কোন খাতে দিয়ে দিতে পারেন কোন সাওয়াবের নিয়ত ছাড়াই।

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-04

প্রশ্ন করেছেনঃ Rafi Al Mahmud, তারিখঃ 2014-07-29  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[961]

আসসালামু আলায়কুম ,
১. আমার এক আত্তিয়া বিয়ার উপযোক্ত।তার বাবা,মা তাকে ব্যাংকার ছেলের সাথে বিয়া দিতে  চায়।কিন্ত সে সোদের কারবারী কাউকে বিয়া করতে চায় না. ভালো ছেলে প।বার জন্য সে কি আমল  করতে পারে ?

2. আমি বাসায় পাখি , বিড়াল পালি। কোরান , হাদিস  আর আলোকে এদের কিভাবে যত্ন নিতে হবে ?
৩. আমি  কি জোড়া  ছাড়া ২টি খরগোস পালতে পারব?
৪. রামাদান  এর পর আমরা  কি কি  আমল করব?

দয়। করে জানাবেন ?

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম।
ভালো ছেলে পাবার জন্য কোন আমল নেই, শুধু আল্লাহর কাছে দু'আ করবেন যেন তিনি একজন নেককার স্বামী দান করেন। আর বাসায় প্রাণী পুষতে পারেন কোন সমস্যা নেই তবে তাদেরকে নিয়মিত খাবার দেয়া এবং পরিচর্যা করা একান্ত বাধ্যতামুলক। রামাদানের পর যে সমস্ত নিয়মিত আমল আছে সেগুলি করবেন আর আছে শাওয়াল মাসের ৬ টি রোজা যার প্রভুত ফজিলত বর্ণিত হয়েছে সহিহ হাদিসে।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-08-04

প্রশ্ন করেছেনঃ Samrat, তারিখঃ 2014-07-24  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[952]

আসসালামু আলাইকুম, এক বছরে সর্ব নিম্নে কত টাকা জমা থাকলে জাকাত দিতে হবে। দয়া করে জানাবেন কি ? আসলে সর্ণ  বা রৌপ এর সর্ব নিম্ন নিসাব লেভেল টাকায় কত তা জানতে চাচ্ছে। 

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। সর্বনিম্ন ৫২.৫ তোলা রুপার মুল্যের সমান গচ্ছিত টাকা ১ বছর থাকলেই তার উপর যাকাত দিতে হবে। বর্তমান বাজার মুল্য আনুমানিক ৫০-৫২ হাজার টাকা। স্বর্ণের জন্য ৭.৫ তোলা/ভরি এবং রুপার জন্য ৫২.৫ তোলা/ভরি হচ্ছে নিসাব।
 

আর সব বিষয়ে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-28

প্রশ্ন করেছেনঃ Oyalieul , তারিখঃ 2014-07-22  
Email
External link
Facebook

প্রশ্ন নম্বরঃ

[936]

আস সালামু আলাইকুম লাইলাতুল-কদর এর রাতে কি ইবাদাত করব??? সলাত করব কি??? কিন্তু নাবী সা. এর সুন্নাহ হলে রাতে ১১ রকাত সলাত।।। আমাদের এখানে লাইলাতুল-কদর এর রাতে কদর সূরা দিয়ে ২০ রকাত সলাত আদায় করা হয়। লাইলাতুল-কদর এর রাতে কি ইবাদাত করব বিস্তারিতভাবে একটু জানাবেন।

উত্তরঃ

ওয়ালাইকুম আস-সালাম। আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেখুন নিম্নেঃ

রমাযানের শেষ দশ রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী ধরণের ইবাদত করতেন?

 

তাঁর ইবাদতের অবস্থা ছিল নিম্নরূপ :

১. প্রথম ২০ রাত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্ণ রাত জাগরণ করতেন না। কিছু সময় ইবাদত করতেন, আর কিছু অংশ ঘুমিয়ে কাটাতেন। কিন্তু রমাযানের শেষ দশ রাতে তিনি বিছানায় একেবারেই যেতেন না। রাতের পুরো অংশটাই ইবাদত করে কাটাতেন।

সে সময় তিনি কুরআন তিলাওয়াত, সালাত আদায় সদাকা প্রদান, যিকর, দু‘আ, আত্মসমালোচনা ও তাওবাহ করে কাটাতেন। আল্লাহর রহমাতের আশা ও তার গজবের ভয়ভীতি নিয়ে সম্পূর্ণ খুশুখুজু ও বিনম্রচিত্তে ইবাদতে মশগুল থাকতেন।

২. হাদীসে এসেছে সে সময় তিনি শক্ত করে তার লুঙ্গি দ্বারা কোমর বেধে নিতেন। এর অর্থ হল, রাতগুলোতে। তাঁর সমস্ত শ্রম শুধু ইবাদতের মধ্যেই নিমগ্ন ছিল। নিজে যেমন অনিদ্রায় কাটাতেন তাঁর স্ত্রীদেরকেও তখন জাগিয়ে দিতেন ইবাদত করার জন্য।

৩. কদরের রাতের ইবাদতের সুযোগ যাতে হাতছাড়া হয়ে না যায় সেজন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ দশদিনের পুরো সময়টাতে ইতেকাফরত থাকতেন। (মুসলিম : ১১৬৭)


উত্তর দিয়েছেনঃ এ্যাডমিন , বাংলা হাদিস | তারিখঃ 2014-07-22


PAGE: 1 OF 53 /মোট 523 টি প্রশ্নোত্তর
প্রতি পাতাতে টি প্রশ্নোত্তর


COPYRIGHT

2013-2016 Bangla Hadith, All rights reserved.
Developed & Maintain by: Rokon-ul-Haque

Privacy Policy: Click to read the Privacy Policy

DONATION

বাংলা হাদিসের প্রজেক্ট সমূহকে সহযোগিতা করুন। এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তি উদ্যোগে পরিচালিত, আপনাদের সহযোগিতা আমাদের কাজকে আরও ত্বরান্বিত করবে ইনশাল্লাহ।

CONTACT US

ROKON-UL-HAQUE
info@hadithbd.com
+880 1714110630
https://www.facebook.com/hadithbd
https://www.youtube.com/c/hadithbdTube

VISITOR'S COUNTER

63 জন অনলাইনে আছেন
2,266 জন আজকের ভিজিটর
1,410,144 জন সর্বমোট ভিজিটর
16,461,001 বার সর্বমোট পেজ হিট

Fatal error: Cannot redeclare EPCNTR_Go_Error() (previously declared in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php:614) in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php on line 637